সংবাদদাতা, কাঁথি: বাইক চুরির ঘটনায় তদন্তে নেমে বড়সড় সাফল্য পেল এগরা থানার পুলিস। ১০টি চোরাই বাইক উদ্ধারের পাশাপাশি পুলিস তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার দুপুরে এগরা থানায় সাংবাদিক বৈঠক করেন মহকুমা পুলিস আধিকারিক দেবীদয়াল কুণ্ডু ও আইসি অরুণকুমার খান। পুলিস জানিয়েছে, বাইক চুরি চক্রের মূল পান্ডা ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইল থানার কুলটিকরির বাসিন্দা গৌতম মহাপাত্র। বাকিরা হল খড়্গপুরের শাকপাড়ার বিকাশ মান্না ও সাঁকরাইলের লাল্টু খিলাড়ি। এরা দু’জন বাইকের ‘রিসিভার’। বিকাশ মুদির দোকানি আর লাল্টু বাসের কন্ডাক্টর। এদিনই তিনজনকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তদন্তের স্বার্থে গৌতমকে দু’দিনের পুলিস হেফাজত এবং বাকিদের ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। থানার আইসি বলেন, আরও চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধার হতে পারে। তারজন্য গৌতমকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জেরা করে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও আমরা জানার চেষ্টা করছি। জানা গিয়েছে, এগরা শহরে গত এক মাসে পরপর বেশ কয়েকটি বাইক চুরি যায়। বাইকের মালিকরা থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিস চুরির কোনও কিনারা করতে পারছিল না। শেষমেশ পুলিস সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে গৌতমকে চিহ্নিত করে। কয়েকদিন আগে ঝাড়গ্রাম থেকে বাসে এগরা শহরে সে বাইক চুরির জন্য এসেছিল। বাস থেকে নামতেই পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জেরা করে বাকিদের নাম পুলিস জানতে পারে। পুলিস জানতে পেরেছে, গৌতম বাইক চুরির জন্য ঝাড়গ্রাম থেকে বিভিন্ন রুটের বাসে করে এগরা সহ বিভিন্ন জনবহুল বাজারে নামত। এরপর সুযোগ বুঝে বাইক চুরি করত। সেই বাইক চালিয়েই খড়্গপুরে পৌঁছত। সেখানে গিয়ে চুরির বাইক বিকাশকে বিক্রি করত।



