Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

বায়ুসেনা প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রত্যাঘাতের কৌশল নিয়ে কথা?

আখনুর, কুপওয়ারা, সুন্দরবানি, নওশেরা, মেন্ধার, রজৌরি, পুঞ্চ, বারমুলায় চলছে গুলিগোলা। পহেলগাঁও পরিস্থিতিতে ভারতকে উস্কাতেই পাক সেনা গুলি বর্ষণ করছে।

বায়ুসেনা প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রত্যাঘাতের কৌশল নিয়ে কথা?
  • ৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আখনুর, কুপওয়ারা, সুন্দরবানি, নওশেরা, মেন্ধার, রজৌরি, পুঞ্চ, বারমুলায় চলছে গুলিগোলা। পহেলগাঁও পরিস্থিতিতে ভারতকে উস্কাতেই পাক সেনা গুলি বর্ষণ করছে। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় জওয়ানও। সীমান্ত রক্ষার এই গুলিগালা না থামায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হচ্ছে। বাড়ছে উত্তেজনা। এমত পরিস্থিতিতে রবিবার বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রিত সিংকে নিজের বাসভবনে (৭ লোককল্যাণ মার্গ) ডেকে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর আগে শনিবার নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এভাবে আলাদা করে এক এক করে বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে মোদির বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। গত মঙ্গলবার সেনা সর্বাধিনায়ক এবং তিন বাহিনীর প্রধানকে একসঙ্গে বসিয়ে বৈঠক করেছিলেন মোদি। এবার আলাদা করে এক একজনের সঙ্গে আলোচনা। পহেলগাঁও কাণ্ডের পরবর্তী ভারত-পাক উত্তেজনার আবহে প্রস্তুতি চলছে প্রত্যাঘাতেরই। সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে কংগ্রেস। পাকিস্তানকে মুখের উপর জবাব দিতে মোদি সরকার যা করবে, তার সঙ্গেই থাকবে ব঩লেই আগেই জানিয়েছে রাহুল গান্ধীর দল। কিন্তু কবে নেওয়া হবে অ্যাকশন? এদিনও প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট। 

Advertisement

রবিবারই এক অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে দিলেন, আপনারা যেমন চাইছেন, তেমনই হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে বলছি, যারা আমাদের দেশের ওপর হামলা করেছে, তাদের উচিত জবাব দেওয়া হবেই। এটা নিশ্চিত জেনে রাখুন। ভারত এখনও ‘প্রত্যাঘাত’ করেনি। আসলে স্রেফ সামরিক কড়া জবাব নয়, জঙ্গি মদতদাতা পাকিস্তানের কোমর ভেঙে দিয়ে চাইছে ভারত। তার জন্যই নিজেদের সবদিক দিয়ে গুছিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানকে ‘পঙ্গু’ করার নানা পদক্ষেপও। সিন্ধু নদের জল বন্ধ করে দেওয়ার পর বাণিজ্যও বন্ধ করে দেওয়া হল। পাকিস্তানের কোনও পণ্য ভারতে আসার পথ সম্পূর্ণ আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্রেফ ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত দিয়েই নয়, অন্য দেশ ঘুরে ঘুরপথে পাকিস্তানের কোনও পণ্য ভারতে আমদানি বন্ধ। যার জেরে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের পাকিস্তানি ব্যবসা মার খাবে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের মত। 
একইভাবে পাকিস্তানকে ‘একঘরে’ করতেও উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পাকিস্তানকে পঙ্গু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 
আইএমএফ এবং বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতো সংস্থার সঙ্গে কথা বলে পাকিস্তানকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার রাস্তা বন্ধ করতে চাইছে ভারত। সব দিক দিয়ে পাকিস্তান কোণঠাসা করেই প্রত্যাঘাত।

সম্পর্কিত সংবাদ