Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধিতে স্টার্ট-আপ সংস্থার সঙ্গে পাইলট প্রজেক্ট শুরু হতে চলেছে হাওড়ায়

শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার স্টার্ট-আপ সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে হাওড়া পুরসভা। শহরের দু’টি জায়গায় ডাস্টবিন বসানো ও সেখান থেকে দিনে কয়েকবার আবর্জনা সংগ্রহের কাজ করবে একটি সংস্থা।

পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধিতে স্টার্ট-আপ সংস্থার সঙ্গে  পাইলট প্রজেক্ট শুরু হতে চলেছে হাওড়ায়
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার স্টার্ট-আপ সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে হাওড়া পুরসভা। শহরের দু’টি জায়গায় ডাস্টবিন বসানো ও সেখান থেকে দিনে কয়েকবার আবর্জনা সংগ্রহের কাজ করবে একটি সংস্থা। ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে এই কাজ শুরু হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে হাওড়ার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুরসভার সঙ্গে যৌথভাবে আবর্জনা সংগ্রহ করবে তারা। যদিও এতে পুরসভার তরফে বাড়তি কোনও খরচ হবে না। দ্রুত পাইলট প্রজেক্ট চালু করতে উদ্যোগী হাওড়া পুরসভা। 

Advertisement

হাওড়া ময়দান ও মহাত্মা গান্ধী রোডজুড়ে রয়েছে পুরসভা ভবন, ডিএম অফিস, জেলা পরিষদ, হাওড়া কোর্ট থেকে শুরু করে ছোট-বড় প্রচুর সরকারি দপ্তর। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত লেগে রয়েছে। রাস্তার পাশে গজিয়ে উঠেছে ফলের রস, ফাস্টফুডের অনেক দোকান। ভাত-রুটির হোটেলও রয়েছে বেশ কয়েকটি। সব মিলিয়ে প্রতিদিন শুধুমাত্র এই এলাকা থেকেই কয়েক টন বর্জ্য সরাতে হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যায় ডাস্টবিন না থাকায় আবর্জনা ছড়িয়ে থাকে রাস্তার দু’পাশে। অন্যদিকে, ডুমুরজলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন রিং রোড হয়ে উঠেছে সান্ধ্যকালীন খাওয়া-দাওয়া ও আড্ডার অন্যতম ‘হটস্পট’। চা-কফির স্টল, রোল, স্যান্ডউইচ, কাবাবের দোকান গড়ে উঠেছে অনেক সংখ্যায়। ফলে এই রাস্তাটিও আবর্জনায় ঢাকছে। হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই এলাকাকে সবসময় ঝকঝকে রাখতে ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে কাজ করবে নামে একটি স্টার্ট-আপ সংস্থা। সংস্থার তরফে রাস্তার দু’ধারে বসানো হবে ডাস্টবিন। ব্যাটারিচালিত ছোট গাড়িতে করে ঘণ্টায় ঘন্টায় ডাস্টবিন থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করবে তারা। ইতিমধ্যে সংস্থাটির সঙ্গে পুরসভার প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনাও হয়ে গিয়েছে। 
হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রথমবার কোনও স্টার্ট-আপ সংস্থার সঙ্গে আমরা কাজ করতে চলেছি। পাইলট প্রজেক্ট সফল হলে পরবর্তীতে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সংস্থাটিকে কাজে লাগানো হবে। সবথেকে বড় কথা, এতে পুরসভার কোনও খরচ হচ্ছে না। ফলে লোকবলের পাশাপাশি খরচও বাঁচবে।’ জানা গিয়েছে, সংস্থার তরফে বসানো ডাস্টবিনের সঙ্গেই থাকবে একটি করে বোর্ড। সেখানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন থাকবে। সেই বিজ্ঞাপন থেকেই আয় হবে সংস্থাটির। ইতিমধ্যে কলকাতা ও বিধাননগর পুরসভার পাশাপাশি নর্থ ও সাউথ দমদম, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, এমনকী ওড়িশার পুরী পুরসভার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আবর্জনা সাফাইয়ের কাজ করছে এই সংস্থা।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ