Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

মাথাপিছু ঋণ দু’বছরে বেড়ে ৫ লক্ষ টাকা, ‘আচ্ছে দিন’ খোঁচা কংগ্রেসের

২০২৩ সালের মার্চে দেশে মাথাপিছু ঋণ ছিল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। ২০২৫ সালের মার্চে তা বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

মাথাপিছু ঋণ দু’বছরে বেড়ে ৫ লক্ষ টাকা, ‘আচ্ছে দিন’ খোঁচা কংগ্রেসের
  • ৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ২০২৩ সালের মার্চে দেশে মাথাপিছু ঋণ ছিল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। ২০২৫ সালের মার্চে তা বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। হিসেব বলছে, দেশে ব্যক্তি ঋণের ক্ষেত্রে মাথাপিছু ঋণ গত দু’বছরে গড়ে ৯০ হাজার টাকা বেড়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ফিনান্সিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে এই পরিসংখ্যান। শুধু তা-ই নয়, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, মূল্যবৃদ্ধির জেরে হিমশিম আম জনতার আয়ের এক-চতুর্থাংশই চলে যাচ্ছে ঋণের কিস্তি মেটাতে। এই দুই তথ্যকে হাতিয়ার করেই বুধবার মোদি সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের আর্থিক দুর্দশা নিয়ে সরব হল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই সংক্রান্ত দু’টি প্রতিবেদন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। সঙ্গে কটাক্ষ, ‘আচ্ছে দিনের ঋণ’! রমেশের দাবি, পরিসংখ্যানের মারপ্যাঁচ ও বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে নিজেদের খামতি ঢাকতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু ‘মোদি-রাজে’ যে আম আদমির ঘাড়ে ঋণের বোঝা বাড়ছে, তা কিছুতেই লুকানো যাচ্ছে না। ‘গোদের উপর বিষফোঁড়া’র মতো রোজগারের ২৫.৭ শতাংশই চলে যাচ্ছে ঋণের কিস্তি চোকাতে। তিনি আরও লিখেছেন, গত ১১ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের হাল শুধরানোর কোনও চেষ্টাই করা হয়নি। বরং ঘনিষ্ঠ শিল্পপতিদের স্বার্থরক্ষা জন্যই ব্যস্ত মোদি সরকার। এর ফলে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার মাশুল গুণতে হচ্ছে আম জনতাকে। মাথাপিছু ঋণ বৃদ্ধি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

Advertisement

২০১৪ সালে ভোটে জিতে ‘আচ্ছে দিনে’র প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই গোটা পরিস্থিতিকে ‘আচ্ছে দিনের ঋণ’ বলে ঠেস দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা। রমেশের সাফ কথা, এই সব ঋণের ৫৫ শতাংশই ক্রেডিট কার্ডের বিল ও স্মার্টফোনের ইএমআইয়ের মতো খরচ মেটানোর জন্য নেওয়া হচ্ছে। এর থেকেই স্পষ্ট, মুদ্রাস্ফীতির চাপে পরিবারগুলি নিজেদের আয়ে সংসার চালাতে পারছে না। এজন্য তারা ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বন্ধকহীন ঋণ ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তরুণ প্রজন্মের হাতে কাজ নেই। কৃষকরা 
আত্মহত্যা করছেন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির টুঁটি টিপে ধরা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ঋণের ভারে জর্জরিত। অন্যদিকে, মোদির শিল্পপতি বন্ধুদের মুনাফা বাড়ছে। তাঁদের সম্পদের পাহাড় জমছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ