Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উত্তর ২৪ পরগনায় পাশের হার ৯০.০৮ শতাংশ, দক্ষিণে ৮৯.৯৫

মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাঁচজনের স্থান হয়েছে মেধা তালিকায়। আর উত্তর ২৪ পরগনার দু’জনের মেধা তালিকায় নাম আছে।

উত্তর ২৪ পরগনায় পাশের হার  ৯০.০৮ শতাংশ, দক্ষিণে ৮৯.৯৫
  • ৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাঁচজনের স্থান হয়েছে মেধা তালিকায়। আর উত্তর ২৪ পরগনার দু’জনের মেধা তালিকায় নাম আছে। শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালের মাধ্যমিকের ফলাফল। তারপর দেখা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৪ হাজার ৬৮৯। পাশের হার ৯০.০৮ শতাংশ। আর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৮৮ হাজার ৩০০ জন পরীক্ষারা দিয়েছিল। পাশের হার ৮৯.৯৫ শতাংশ। অর্থাৎ মেধা তালিকার হিসেব অনুযায়ী, এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ। আর পাশের শতাংশের হিসেবে এগিয়ে উত্তর।

Advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে মাধ্যমিকে পঞ্চম, ষষ্ঠ, অষ্টম এবং দু’জন দশম স্থান অধিকার করেছে। সোনারপুর আদর্শ বিদ্যাপীঠের অভ্রদীপ মণ্ডল হয়েছে ষষ্ঠ। চিকিৎসক হতে চায় সে। দশম হয়েছে কাকদ্বীপের সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দিরের সৌভিক দিন্দা। বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চায় সে। অন্য আর একজন দশম স্থানাধিকারী জয়নগর জেএম ট্রেনিং স্কুলের ছাত্র। নাম রাহুল রিক্তিয়াজ। সে শিল্পপতি হতে চায়। জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাহুল। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর মণ্ডল বলেন, ‘ওর ফলাফল অন্য ছাত্রদের উৎসাহিত করবে। রাহুল বলে, ‘স্কুলেই আমি ডেটা সায়েন্স নিয়ে পড়ব।’ মা রহিমা মোল্লা বলেন,‘ ছেলের ইচ্ছাই শেষ কথা।’ 
অন্যদিকে মেধাতালিকায় জায়গা করে নিল হাবড়ার অনীশ দাস। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। অনীশ চায় ইঞ্জিনিয়ার হতে। হাবড়ার আট নম্বর ওয়ার্ডের কবিগুরু রোডে বাড়ি। বাবা মৃণালকান্তি ব্যবসায়ী। মা নীলিমা গৃহবধূ। পঞ্চম শ্রেণি থেকে অনীশ হাবড়ার প্রফুল্লনগর বিদ্যামন্দিরের ছাত্র। অষ্টম শ্রেণি থেকে স্কুলে প্রথম স্থান দখল করছে। মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে নবম হয়েছে। অনীশ বলে, ‘পড়ার বাঁধাধরা সময় ছিল না। মেধাতালিকায় নবম স্থান পাব ভাবিনি।’ বিদ্যালয়েরর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধীমান বিশ্বাস বলেন, ‘অনীশের উপর আমাদের প্রত্যাশা ছিল। ও সেটা পূরণ করেছে।’ ৬৮৫ নম্বর পেয়ে সম্ভাব্য একাদশ স্থান পেয়েছে বারাসতের কালীকৃষ্ণ উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের অন্তর্জিতা দাস। বারাসতের নবপল্লিতে থাকে সে। ইচ্ছা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। কাঁচরাপাড়া হারনেট হাইস্কুলের প্রদীপ মণ্ডলের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫। একাদশ স্থান অর্জন করেছে সে। আর কাঁচড়াপাড়া ইন্ডিয়ান গার্লস স্কুলের ছাত্রী নবীনতা রুদ্র ৬৪৯ নম্বর পেয়েছে। কাঁচরাপাড়ার পুরসভার চেয়ারম্যান ও দুই বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি কমল অধিকারী কৃতীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দমদম, বরানগর, পানিহাটি সহ বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফল করেছে। তবে মেধা তালিকায় কেউ স্থান পায়নি। ফলে মনখারাপ পড়ুয়াদের, শিক্ষামহলেরও।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ