নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের ভারত-বিরোধী আখ্যান বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। জঙ্গিদের মদতদাতা ইসলামাবাদকে বেআব্রু করেছে নয়াদিল্লি। কাশ্মীর নিয়ে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছে। তারপরও পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই! এত কিছুর পরও সেই ভোঁতা অস্ত্রেই শান দিতে দেখা গেল পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ কমিটি (সিজেসিএসসি)-র চেয়ারম্যান জেনারেল শাহির শামসাদ মির্জাকে। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে পাকিস্তানের চিফ অব আর্মি স্টাফ আসিম মুনিরের ঘনিষ্ঠ ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের জন্য ভারত গুরুত্বপূর্ণ দেশ। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু, যেভাবে তারা এগিয়ে চলেছে তা রাষ্ট্রসংঘের সনদ, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। তাই গ্লোবাল সাউথের মূল লক্ষ্যপূরণে ভারত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। তাই এই গোষ্ঠীতে ভারত ‘ট্রয়ের ঘোড়ার মতো’ তলে তলে ক্ষতি করছে।
এখানেই থামেননি তিনি। ‘ইসলামাবাদ সিমপোসিয়াম ২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে নিয়ে ফের তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা চেয়েছেন মির্জা। তাঁর দাবি, ভারতীয় শাসন ব্যবস্থায় রাজনীতির সামরিকীকরণ ও সেনার রাজনীতিকরণ ঘটেছে। এটা ভয়ংকর একটি বিষয়। পাকিস্তান আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চায়। কিন্তু, ভারত বারবার সংঘাতে উস্কানি দিয়েছে। তাই ভারত-পাকিস্তান সংঘাত মেটাতে তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণ সবসময় জরুরি। সেই কারণেই অন্য কোনও দেশ, আন্তর্জাতিক সংগঠনকে এব্যাপারে আমরা সবসময় স্বাগত জানিয়েছি। যদিও বরাবরের মতোই তৃতীয়
পক্ষের মধ্যস্থতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।



