নয়াদিল্লি: দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার আগেই আভাস দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার প্রথম দফায় অবৈধ অভিবাসীদের ভারতে পাঠানো শুরু করল মার্কিন প্রশাসন। এদিন টেক্সাস থেকে ২০৫ ভারতীয় অভিবাসীকে নিয়ে যাত্রা শুরু করে মার্কিন সেনার সি-১৭ কার্গো বিমান। সম্ভাব্য গন্তব্য ভারতের অমৃতসর। যদিও ভারত সরকারের তরফে প্রত্যর্পণ নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। এখানেই শেষ নয়। ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ১৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে চিহ্নিত করেছে আমেরিকা। অনেকের কাছেই প্রয়োজনীয় নথি নেই। জানা গিয়েছে,অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে অধিকাংশ পাঞ্জাব ও গুজরাতের বাসিন্দা। আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরে যাওয়ার কথা। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে প্রথমবার সাক্ষাৎ হবে ট্রাম্পের। নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘সীমান্তের পাহাড়া আরও শক্তিশালী করছে আমেরিকা। অভিবাসন আইন কঠোর করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের সরানো হবে। বেআইনি অভিবাসন নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব নয়। এই পদক্ষেপ থেকেই তা স্পষ্ট। এর বেশি এখন কিছু বলা সম্ভব নয়।’
Advertisement
২০ জানুয়ারি দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরেই অবৈধ অভিবাসন নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে সেদেশের প্রশাসন। ইতিমধ্যে ব্রাজিল সহ বেশকিছু দেশের অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আমেরিকায় চিহ্নিত করা হয়েছে হাজার হাজার মানুষকে। সামরিক বিমানে চাপিয়ে প্রত্যেককে দেশে পাঠাচ্ছে ট্রাম্প সরকার।
নির্বাচনের আগেই অভিবাসন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন ট্রাম্প। ক্ষমতায় আসার পরেই তা কার্যকর করেছেন তিনি। গত মাসে এবিষয় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইতিহাসে এই প্রথমবার অবৈধ অভিবাসীদের সামরিক বিমানে চাপিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।’বিনা নথিতে যাঁরা আমেরিকায় রয়েছেন তাঁদের পাকড়াও করা হচ্ছে। তারপর ধাপে ধাপে জন্মভূমিতে প্রত্যর্পণ করা হচ্ছে।ইতিমধ্যে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিদেশ মন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন সংগঠিত অপরাধের অন্যতম অংশ। বিবৃতি দিয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘যদি কোনও দেশে প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী থাকলে তাহলে তাঁকে ভারতে ফেরত আনতে কেন্দ্র সবসময় প্রস্তুত। অনেকে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও বিদেশে থেকে যান। তবে আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথি দিতে হবে। শুধু আমেরিকা নয়। প্রত্যেক দেশের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।’
নির্বাচনের আগেই অভিবাসন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন ট্রাম্প। ক্ষমতায় আসার পরেই তা কার্যকর করেছেন তিনি। গত মাসে এবিষয় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইতিহাসে এই প্রথমবার অবৈধ অভিবাসীদের সামরিক বিমানে চাপিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।’বিনা নথিতে যাঁরা আমেরিকায় রয়েছেন তাঁদের পাকড়াও করা হচ্ছে। তারপর ধাপে ধাপে জন্মভূমিতে প্রত্যর্পণ করা হচ্ছে।ইতিমধ্যে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিদেশ মন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন সংগঠিত অপরাধের অন্যতম অংশ। বিবৃতি দিয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘যদি কোনও দেশে প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী থাকলে তাহলে তাঁকে ভারতে ফেরত আনতে কেন্দ্র সবসময় প্রস্তুত। অনেকে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও বিদেশে থেকে যান। তবে আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথি দিতে হবে। শুধু আমেরিকা নয়। প্রত্যেক দেশের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।’



