সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: স্বাধীনতার আগে তৈরি হওয়া হাসপাতাল। তবে বর্তমানে সেখানে নেই কোনো চিকিৎসক। নার্স ও ফার্মাসিস্টরাই এখন হাসপাতালটি চালাচ্ছেন। অথচ পরিকাঠামোর কোনো অভাব নেই। কিন্তু সব থেকেও সেগুলি ভালোভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: স্বাধীনতার আগে তৈরি হওয়া হাসপাতাল। তবে বর্তমানে সেখানে নেই কোনো চিকিৎসক। নার্স ও ফার্মাসিস্টরাই এখন হাসপাতালটি চালাচ্ছেন। অথচ পরিকাঠামোর কোনো অভাব নেই। কিন্তু সব থেকেও সেগুলি ভালোভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জানা গিয়েছে, ১৯৪৫ সালে ক্যাম্পের আকারে নামখানা ফ্রেজারগঞ্জের হাসপাতালটি প্রথম চালু করা হয়েছিল। কারণ সেই সময় এই এলাকায় প্রচুর মানুষের কলেরা হয়েছিল। তাঁদের চিকিৎসা করার জন্যই ছিটে বেড়া ও খড়ের ছাউনি দিয়ে হাসপাতালটি তৈরি করা হয়। তৎকালীন ওই হাসপাতালে স্থানীয় একজন চিকিৎসক চিকিৎসা করতেন। পরে হাসপাতালটি স্থানান্তরিত করে ফ্রজারগঞ্জের অমরাবতী এলাকায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে একজনের দান করা পাঁচ বিঘা জমিতে স্থায়ীভাবে হাসপাতালটি গড়ে ওঠে। বর্তমান এটি দশ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল। চিকিৎসার সম্পূর্ণ পরিকাঠামোও রয়েছে। কিন্তু কোনো চিকিৎসক নেই। স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা তরুণকুমার চক্রবর্তী বলেন, এই এলাকার বাসিন্দারা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়। অথচ এই হাসপাতালটি স্বাধীনতার আগে তৈরি করা হয়েছে। আগে এখানে চিকিৎসকও ছিলেন। এখনও ভালো পরিকাঠামো রয়েছে, কিন্তু কোনো চিকিৎসক নেই। অথচ এই ফ্রেজারগঞ্জেই বকখালির মতো বড় পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার পর্যটক বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘুরতে আসেন। তাঁরাও অসুস্থ হয়ে পড়লে সমস্যায় পড়েন। তাই এই হাসপাতালে শীঘ্রই চিকিৎসক নিয়োগ করা প্রয়োজন।
নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিষেক দাস বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করা যায় শীঘ্রই ওই হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে। এনিয়ে সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।