Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাকাশিপাড়ার পঞ্চায়েতে অনাস্থা, অপসারিত ৪

নাকাশিপাড়া ব্লকের বিক্রমপুর পঞ্চায়েতে রামধনু জোটের মাধ্যমে অনাস্থা আনা হল। যার মাধ্যমে দু’জন উপসমিতির সঞ্চালক সহ চারজন তৃণমূল সদস্যকে অনাস্থার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে।

নাকাশিপাড়ার পঞ্চায়েতে অনাস্থা, অপসারিত ৪
  • ২৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নাকাশিপাড়া ব্লকের বিক্রমপুর পঞ্চায়েতে রামধনু জোটের মাধ্যমে অনাস্থা আনা হল। যার মাধ্যমে দু’জন উপসমিতির সঞ্চালক সহ চারজন তৃণমূল সদস্যকে অনাস্থার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত পঞ্চায়েত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

Advertisement

জানা গেছে, বিক্রমপুর পঞ্চায়েতে মোট ২৮ জন সদস্য রয়েছেন, যার মধ্যে ১৭ জন তৃণমূল কংগ্রেসের এবং বাকি ১১ জন সিপিএম, বিজেপি ও কংগ্রেসের। বিগত কয়েক মাস ধরেই পঞ্চায়েতের অভ্যন্তরে একে অপরের কোন্দল ও সদস্যদের মধ্যে বনিবনার অভাবে উন্নয়নমূলক কাজ প্রায় বন্ধ অবস্থায় ছিল। এমনকি অর্থ সংক্রান্ত সভাও ঠিকমতো হচ্ছিল না।এই পরিস্থিতিতে মে মাসের শেষ দিকে দুই উপসমিতির সঞ্চালক এবং তাদের অধীনে থাকা দুই সদস্যের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। বুধবার সেই প্রস্তাব নিয়ে ডাকা বৈঠকে তিনজন তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, নয়জন তৃণমূল সদস্য, এক জন বিজেপি, তিনজন কংগ্রেস এবং দুইজন সিপিএম সদস্য মিলিয়ে মোট ১৯ জন অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন। এর ভিত্তিতে শিল্প-পরিকাঠামো উপসমিতির সঞ্চালক মোজাম্মেল মোল্লা, শিশু ও নারী কল্যাণ উপসমিতির সঞ্চালক সাগিনা কারিগর এবং ওই দুই উপসমিতির সদস্য ঝুম্পা বিবি শেখ ও সুজিতা খাতুনকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিক্রমপুর পঞ্চায়েতের প্রধান অর্চনা বিশ্বাস জানান, ওঁরা দলের নির্দেশ অমান্য করে চলছিলেন। একাধিকবার অর্থ সংক্রান্ত বৈঠকে ডাকলেও উপস্থিত হননি। এমনকি আমার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখেননি। এর ফলে পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ বাধা পেয়েছে। তাই বাধ্য হয়েই অনাস্থা আনা হয়েছে। অপসারিত সঞ্চালক সাগিনা কারিগর বলেন, এটা আমাদের কাছে খুব লজ্জাজনক ব্যাপার। আমরা তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে জন প্রতিনিধি। অথচ, বিজেপির সঙ্গে যোগ করে আমাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের কাজের বিল ছাড়া নিয়ে আমাদের সঙ্গে মতবিরোধ হয়েছিল পঞ্চায়েত প্রধানের। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ