Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উদ্বোধনের দু’বছর পরও বারুইপুর হাসপাতালে চালু হল না নয়া ভবন

বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে রোগীদের ভিড় বাড়ছে। ফি মাসে তিন হাজার রোগী ভর্তি হয় এই হাসপাতালে।

উদ্বোধনের দু’বছর পরও বারুইপুর হাসপাতালে চালু হল না নয়া ভবন
  • ৩০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে রোগীদের ভিড় বাড়ছে। ফি মাসে তিন হাজার রোগী ভর্তি হয় এই হাসপাতালে। চাপ কমাতে দু’বছর আগে ঘটা করে উদ্বোধন হয়েছিল নতুন ভবনের। কিন্তু আজও তা চালু হল না। পরিকাঠামো সংস্কারও অনেক বাকি। এর জেরে ক্ষুব্ধ রোগীর পরিবার পরিজন। হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় বলেন, স্বাস্থ্যদপ্তরকে অনেক আগেই এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। অনুমোদন এসে গেলেই পিডব্লুডি কর্তৃপক্ষকে বলে বাকি পরিকাঠামোর কাজও শুরু হয়ে যাবে। সব কিছু হয়ে গেলে তবেই চালু হবে ভবন।    

Advertisement

দু’বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের উদ্যোগে পঞ্চদশ আর্থিক কমিশনের অর্থে হাসপাতালে নতুন দোতলা একটি ভবনের উদ্বোধন হয়। ভবনে রোগীদের জন্য আলাদা ৪০-৪৫টি বেড থাকবে। হাসপাতালের পুরুষ বিভাগ এই ভবনে স্থানান্তর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা আজও হল না। 
সূত্রের খবর, হাসপাতালে প্রতি মাসে আউটডোর পরিষেবা নিতে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আসেন। ইমারজেন্সি বিভাগে প্রতি মাসে প্রায় ১২ হাজার রোগী আসেন চিকিৎসা করাতে। মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল মিলিয়ে বেড সংখ্যা ৩৬৮টি। হাসপাতালে তৈরি নতুন ভবনের একতলায় শৌচালয় থাকলেও দোতলায় তা নেই। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ, জলের ব্যবস্থা কোনওটাই করা হয়নি। অক্সিজেনের পাইপ লাইন সহ আরও কাজ বাকি। সবই পড়ে আছে স্বাস্থ্যদপ্তরের অনুমোদন না আসায়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, দ্রুত যাতে অনুমোদন আসে তার জন্য একবছর আগে স্বাস্থ্যদপ্তরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অনুমোদন এলেই সংস্কারের বাকি কাজ শুরু হয়ে যাবে। 
রোগীর আত্মীয় সোমনাথ মণ্ডল বলেন, নতুন ভবনে আলাদা বেডে রোগীদের চিকিৎসা শুরু হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। এত রোগীর চাপ এক বেডে দু’জন রোগীকে একসঙ্গে থাকতে হয়। কুলতলি থেকে আসা রোগী রতন সর্দার বলেন, রোগী পরিষেবা ঠিক রাখতে দ্রুত নতুন ভবন যাতে চালু করা যায়, স্বাস্থ্যদপ্তরকে তা দেখতে হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ