


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কেন্দ্রীয় সরকার ‘১০০ দিনের কাজ’ বন্ধ করে রেখেছে। তার ফলে একসময় গ্রামীণ অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছিল। সেই অবস্থায় গ্রামাঞ্চলের গরিব মানুষদের হাতে কাজ দিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেন ৫০ দিনের কাজের প্রকল্প ‘কর্মশ্রী’। তাতেই হাল ফিরছে জেলায় জেলায়। কাজ পাচ্ছেন পুরুষ-মহিলারা। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে উত্তরোত্তর বেড়েছে কাজের সুযোগ। ২০২৪-২৫ সালে রাজ্যের প্রায় ৭৫ লক্ষ জবকার্ড হোল্ডার নানা দপ্তরের আওতায় কাজ পেয়েছেন। সেই তুলনায় ২০২৩-২৪ সালে কাজ পেয়েছিলেন ৬৪ লক্ষের কাছাকাছি জবকার্ড হোল্ডার। পঞ্চায়েত দপ্তরের এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তাদের মতে, জেলায় জেলায় পথশ্রী, জলের পাইপ বসানো এবং ‘বাংলার বাড়ি’ নির্মাণের ক্ষেত্রে জবকার্ড হোল্ডারদের নিযুক্ত করা হয়েছিল। তাই এবার সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে।
পাহাড় থেকে সাগর, জঙ্গলমহল থেকে সুন্দরবন—গ্রামঞ্চলের সর্বত্র মানুষ চাষবাসের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্পে কাজ পেয়ে খুশি। নতুন অর্থবছরে আরও বেশি মানুষ এই কাজ পাবে বলে আশাবাদী দপ্তর। কারণ, এ বছর পথশ্রীর মাধ্যমে রাজ্যে লক্ষাধিক রাস্তা তৈরি হবে। ‘বাংলার বাড়ি’র আওতায় আরও ১৬ লক্ষ মানুষ ঘরের টাকা পাবে। এসব কাজের জন্য অনেক কর্মী লাগবে। জবকার্ড হোল্ডাররা অনেকেই কাজ পাবেন। এক আধিকারিক বলেন, ‘জবকার্ড হোল্ডাররা যাতে কাজ পান, তা নিশ্চিত করতে গতবার কড়া নজরদারি চালানো হয়েছিল। ৫২টি দপ্তরের কাজ পেয়েছেন জবকার্ড হোল্ডারদের একটা বড় অংশ।’