নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: আগামী ১০ নভেম্বর থেকে দাম বাড়তে চলেছে বেকারির বিস্কুট, কেকের। প্রতিটি প্যাকেটে অন্তত ৪ টাকা থেকে ৫টাকা দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে এমনই সিদ্ধান্ত নিল বীরভূম জেলা বেকারি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
Advertisement
বৃহস্পতিবার সিউড়ি শহরের একটি নামী হোটেলে বৈঠকে বসেন এই বেকারি মালিক সংগঠনের সদস্যরা। জেলায় প্রায় ৫০টি বেকারি ফ্যাক্টরির মালিক সেখানে হাজির ছিলেন। সেখানেই সম্মিলিতভাবে তাঁরা বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেন। মূল আলোচনায় উঠে আসে, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কথা। বিশেষ করে ময়দা, তেল, চিনির দাম মাসে মাসে বাড়ছে। এতে খরচের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় দাম বাড়েনি কেক, বিস্কুটের। তাই এবার দাম বাড়ানোর দিকেই হাঁটতে চলেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ঠিক কতটা দাম বাড়বে? তাঁদের দাবি, পাইকারি ও হকারি দরে ১৪০ টাকার বিস্কুট ডিব্বার দাম বেড়ে ১৪৫টাকা করা হচ্ছে। পাউরুটির প্যাকেটের দাম বাড়বে ৪টাকা করে প্রতি পিসে। এছাড়াও স্লাইস পাউরুটির ক্ষেত্রে পিস প্রতি ২টাকা দাম বাড়বে। এছাড়াও অন্যান্য কেক, বিস্কুট যা জেলার ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয় এই সবকিছুর দামই অল্প করে দাম বাড়বে। সংগঠনের সম্পাদক শেখ আকাশ, সহকারী সম্পাদক শেখ আসারুদ্দিন বলেন, যেভাব কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে আমাদের এই দামে বেকারির পাউরুটি, কেক বিক্রি করতে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। অল্প হলেও দাম না বাড়ালে ব্যবসা চালানো খুব মুশকিল। জেলার ৫০টি ফ্যাক্টরিতে কমপক্ষে ২০০০জন কাজ করেন। তাঁদের বেতন সহ সবকিছু এখান থেকেই হয়। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হলেও আমাদের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতেই হল। তবে, এক্ষেত্রে খুবই সামান্য ৫টাকা থেকে ১০টাকা বাড়ানো হচ্ছে। কোনটার ক্ষেত্রে আবার মাত্র ২টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর থেকেই এই দাম কার্যকর হবে বলে প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু ভাইফোঁটা ও অন্যান্য উৎসবের কথা মাথায় রেখে ১০ নভেম্বর থেকে এই দাম কার্যকরী করা হবে। আমরা দাম বৃদ্ধির চার্ট জনসমক্ষেও নিয়ে আসব। তবে বেকারির এই দাম বৃদ্ধিকে সাধারণ মানুষজন কীভাবে নেয় এখন সেটাই দেখার। সিউড়ির এক বাসিন্দা
সুকুমার মাল বলেন, হকারি দাম ১০টাকা বৃদ্ধি মানে দোকানে খুচরোতে প্রতি পিসে ১টাকা থেকে ২টাকা বেশি দর দিতে হবে। সেটা একটু বেশিই হবে মনে হচ্ছে। আবার যাতে কেউ এই সুযোগে অনেকটা বেশি দাম না নেয় সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। মালিপাড়ার এক চা দোকানি শুভ দাস বলেন, সকালে কেক ও বিস্কুটের চাহিদা থাকে। দাম বাড়লে হয়তো আমাদের অল্প লাভ হবে। কিন্তু খুব বেশি দাম বেড়ে গেলে ব্যবসারও ক্ষতি হতে পারে।
সুকুমার মাল বলেন, হকারি দাম ১০টাকা বৃদ্ধি মানে দোকানে খুচরোতে প্রতি পিসে ১টাকা থেকে ২টাকা বেশি দর দিতে হবে। সেটা একটু বেশিই হবে মনে হচ্ছে। আবার যাতে কেউ এই সুযোগে অনেকটা বেশি দাম না নেয় সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। মালিপাড়ার এক চা দোকানি শুভ দাস বলেন, সকালে কেক ও বিস্কুটের চাহিদা থাকে। দাম বাড়লে হয়তো আমাদের অল্প লাভ হবে। কিন্তু খুব বেশি দাম বেড়ে গেলে ব্যবসারও ক্ষতি হতে পারে।



