Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

২৬ নভেম্বর দিল্লিতে ষোড়শ অর্থ কমিশন নিয়ে সেমিনার, রাজ্যের প্রতিনিধি হয়ে যাচ্ছেন গৌতম

২৬ নভেম্বর দিল্লিতে ষোড়শ অর্থ কমিশন নিয়ে সেমিনার, রাজ্যের প্রতিনিধি হয়ে যাচ্ছেন গৌতম
  • ২৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার দিল্লিতে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করবেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। আগামী ২৬ নভেম্বর দিল্লিতে আসন্ন ষোড়শ অর্থ কমিশন নিয়ে সেমিনার করছে কেন্দ্র। রাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে তাতে যোগ দেবেন শিলিগুড়ির মেয়র। এদিকে, আগামী তিন মাস পর মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের। তাই আসন্ন ষোড়শ অর্থ কমিশনের দিকে তাকিয়েই আগামী আর্থবর্ষের উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরিতে উদ্যোগী পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলি। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েতগুলি এ ব্যাপারে গ্রাম সংসদ সভা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। 
Advertisement
শহর ও গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করার জন্য পাঁচ বছরের জন্য অর্থ কমিশন গড়ে কেন্দ্রীয় সরকার। গত ২০২০-’২১ আর্থিক বছর চালু করা হয়েছিল পঞ্চদশ অর্থ কমিশন। নিয়ম অনুসারে আগামী মার্চ মাসে সংশ্লিষ্ট কমিশনের মেয়দ শেষ হবে। পরিবর্তে চালু হবে ষোড়শ অর্থ কমিশন। আসন্ন এই কমিশনের অর্থে শহরের এলাকার কাজকর্ম নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনা সভা করছে। তা আগামী ২৬ নভেম্বর, দিল্লিতে হবে। সেখানে বাংলার একমাত্র মেয়র হিসেবে হাজির থাকবেন গৌতম। 
শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে গৌতম বলেন, আগামী ২৬ তারিখ দেশের বিভিন্ন পুরসভার মেয়র ও পুর চেয়ারম্যানদের নিয়ে জাতীয় স্তরের সেমিনার করছে কেন্দ্রীয় সরকার। আসন্ন ষোড়শ অর্থ কমিশন নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে। রাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে আমি যাচ্ছি। আমার সঙ্গে উত্তরপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান বিনিত যাদব ও বসিরহাটের চেয়ারপার্সন অদিতি রায়চৌধুরী মিত্র যাবেন। সেখানে রাজ্যের সমস্যার কথা তুলে ধরব। 
এদিকে, ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষ থেকেই সূচনা হবে ষোড়শ অর্থ কমিশনের। এজন্য রাজ্য সরকারও আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, প্রায় চার মাস আগে কেন্দ্রীয় দু’টি অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে রাজ্য সরকার। অর্থাৎ, ২০১৬-’১৭ থেকে ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষ পর্যন্ত চুতর্দশ ও পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে বরাদ্দের পরিমাণ এবং কত টাকা খরচ হয়েছে সেই তথ্য নেওয়া হয়। এর বাইরে রাজ্য সরকারের বরাদ্দের পরিমাণ, পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিলের অবস্থা, পঞ্চায়েতের আয়তন, পরিকাঠামো, জনসংখ্যা প্রভৃতি তথ্যও রাজ্য থেকে সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি পঞ্চায়েতগুলিকে আগামী অর্থবর্ষের উন্নয়ন পরিকল্পনা বা জিপিডিপি তৈরির নির্দেশ দেয়। এজন্য পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে গ্রামসভার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করেই ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের জিপিডিপি প্রস্তুত করা হবে। 
প্রশাসনের আধিকারিকররা বলেন, ষোড়শ অর্থ কমিশন চালু হবে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। তবে কবে ওই কমিশন চালু হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এখনও চলছে।  
সম্পর্কিত সংবাদ