Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাড়ে ৪ লক্ষ মহিলা ভোটারের নাম বাদ, তৃণমূল-বিজেপি উভয়ের দাবি, ‘সুবিধা আমদের’

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এসআইআর পর্বে বাদ গিয়েছে ১০ শতাংশের বেশি মহিলা ভোটারের নাম। এই তথ্য এখন তৃণমূল-বিজেপি দু’পক্ষেরই কার্যত হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

সাড়ে ৪ লক্ষ মহিলা ভোটারের নাম বাদ, তৃণমূল-বিজেপি উভয়ের দাবি, ‘সুবিধা আমদের’
  • ২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এসআইআর পর্বে বাদ গিয়েছে ১০ শতাংশের বেশি মহিলা ভোটারের নাম। এই তথ্য এখন তৃণমূল-বিজেপি দু’পক্ষেরই কার্যত হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। বিজেপির বক্তব্য, মহিলা ভোটারের উপর অনেকটা নির্ভরশীল তৃণমূল। এত নাম বাদ যাওয়া মানে ওদের চাপ বাড়ল। পালটা তৃণমূলের দাবি, এসআইআর সহ একাধিক ইস্যুতে যেভাবে মানুষজনকে হয়রানি পোহাতে হয়েছে, তাতে পুরুষদের পাশাপাশি আরও অনেক মহিলা তৃণমূলের দিকে ঝুঁকবেন। নতুন নাম উঠবে যাঁদের, তাঁদের সিংহভাগও ঘাসফুলের পাশেই দাঁড়াবে।

Advertisement

২০২৫ সালে জানুয়ারি মাসে যে ভোটার তালিকা বেরিয়েছিল, তাতে জেলায় ৪২ লক্ষ ৫০ হাজার ৯৭ জনের নাম নাম ছিল। এক বছর পর বিশেষ নিবিড় সংশোধনে সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭ লক্ষ ৯৯ হাজার ১২৮ জনে। অর্থাৎ, সাড়ে চার লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে প্রথম পর্বের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তা থেকেই এই তথ্য জানা গিয়েছে। পুরুষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে সাড়ে আট শতাংশ। প্রশাসনের দাবি, মৃত বা অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণে যেমন অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, তেমনই নথি ঠিক মতো জমা না করার ফলেও নাম বাদ গিয়েছে অনেকের। এই পরিসংখ্যান দেখে মুচকি হাসছে বিজেপি! তারা এটাকে নিজেদের ‘অ্যাডভান্টেজ’ হিসাবে দেখছে। দলের ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার নেতা সুফল ঘাটু বলেন, ‘মানুষয বিজেপিকে চাইছে। মহিলা ভোটার এই হারে কমে যাওয়া নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তৃণমূল জয়ের জন্য অনেকটাই নির্ভর করত এই ভোটব্যাংকের উপর।’ তৃণমূলের তরফে ডায়মন্ডহারবার-যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার বিএলএ ১ তথা বজবজ পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম দাশগুপ্ত বলেন, ‘এসআইআরে অজস্র মহিলাকে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে। তাঁরা বিজেপির উপর ক্ষিপ্ত। মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বৃদ্ধি করেছেন। ফলে যতই নাম বাদ যাক না কেন, আরও অনেকে তৃণমূলের সঙ্গে আসবে।’ এদিকে জানা গিয়েছে, ১৮-১৯ বছর বয়সি যাদের নাম উঠেছিল গত বছরের জানুয়ারিতে মাসে, তাঁদের প্রায় অর্ধেকেরই নাম বাদ গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ