শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: বহুমূল্য মোবাইল ফোন ভিডিও ক্লিপিংসে ঠাসা। সুপার কাপ জয়ের প্রতিটি মুহূর্ত পরম যত্নে জমিয়ে রেখেছেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। ক্লিক করলেই স্ক্রিনে ভেসে ওঠে সেলিব্রেশনের কোলাজ। অজান্তে মৃদু হাসি খেলে যায় স্প্যানিশ কোচের মুখে। ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের মতোই ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি কখনও ভুলবেন না তিনি। মহানদীর পাড়ে কলিঙ্গযুদ্ধে ওড়িশা এফসি’কে বশ মানিয়ে সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় কুয়াদ্রাতের ইস্ট বেঙ্গল। স্পর্ধার জয়ে আকাশ ঢেকেছিল লাল-হলুদ আবীরে। দীর্ঘ ১২ বছর পর ইস্ট বেঙ্গলের সর্বভারতীয় ট্রফি জয়। তাই বোধহয় অনুরাগীদের স্মৃতিতে চিরকাল থেকে যাবেন কার্লেস। তাঁকে সমালোচনা করা যায়। কিন্তু অগ্রাহ্য করা যায় কী? তারপর ২২ মাস অতিক্রান্ত। ফের সুপার কাপ ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গল। রবিবার গোয়ার ফাতোরদায় মেগা ফাইনালে মিগুয়েলদের সামনে এফসি গোয়া। ট্রফি আসবে তো? টেনশনে অসংখ্য সমর্থকের ঘুম নেই রাতে। আর কার্লেস কুয়াদ্রাত? ইস্ট বেঙ্গলের প্রাক্তনী এখন ফিলিপিন্সের জাতীয় দলের কোচ। কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে বসেও মন পড়ে থাকবে মান্ডভী নদীর পাড়ে। বললেন, ‘হৃদয়ে, আবেগে শুধুই ইস্ট বেঙ্গল। মনেপ্রাণে চাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফের এএফসি’র মঞ্চে পা রাখুক মশাল বাহিনী।’ স্প্যানিশ কোচের গলায় দানা বাঁধে আবেগ। নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে নিয়ে কুয়াদ্রাতের বিশ্লেষণ, ‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার শর্ত কী জানেন? পারফরম্যান্সের পাশাপাশি চান্স ও লাক ফ্যাক্টর কাজ করা।’ প্রয়াত কিংবদন্তি সুভাষ ভৌমিকও তো একই কথা বলতেন। স্প্যানিশ কোচের গলায় তারই প্রতিধ্বনি।



