Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

হায়দরাবাদকে সহজে হারাল মুম্বই

মরশুমের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই হেরেছিল বাণিজ্যনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

হায়দরাবাদকে সহজে হারাল মুম্বই
  • ১৮ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: মরশুমের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই হেরেছিল বাণিজ্যনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তবে খাদের কিনারা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তা তাদের চেয়ে ভালো খুব কম দলই জানে। অতীত পরিসংখ্যানেও তার বহু নিদর্শন রয়েছে। ধংসস্তুপ থেকে জেগে ওঠার পরম্পরা বজায় রেখে চলতি আইপিএলেও ক্রমশ ছন্দে ফিরছে হার্দিক পান্ডিয়া ব্রিগেড। আগের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস জয়ে উজ্জীবিত পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। বৃহস্পতিবার তারই প্রতিফলন ঘটল ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। ঘরের মাঠে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৪ উইকেটে হারিয়ে শেষ চারের আশা টিকিয়ে রাখল মুম্বই। প্রথমে ব্যাট করে হায়দরাবাদ ৫ উইকেটে ১৬২ রানেই আটকে গিয়েছিল। জবাবে ১১ বল বাকি থাকতে অনায়াসে লক্ষ্যে পৌঁছে যান নীতা আম্বানির ফ্র্যাঞ্চাইজি (১৬৬-৬)।

Advertisement

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল মুম্বই। অধিনায়ক হার্দিকের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণিত করে হায়দরাবাদের ব্যাটারদের উপর শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করেন যশপ্রীত বুমরাহ, ট্রেন্ট বোল্টরা। তাঁদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে ধুয়েমুছে সাফ কমলা জার্সিধারীদের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের খ্যাতি। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কোনওক্রমে দেড়শো পেরল তারা। ওয়াংখেড়ের বাইশ গজ অবশ্য বড় শট নেওয়ার জন্য খুব একটা সহায়কও ছিল না। বল পড়ে থমকে আসছিল। ফলে পেসাররা জোর দিয়েছিলেন স্লোয়ার ডেলিভারিতে। স্পিনাররাও সাহায্য পাচ্ছিলেন। সানরাইজার্সের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা (৪০) ও ট্রাভিস হেড (২৮) চেনা আক্রমণাত্মক মেজাজ মেলে ধরতে পারেননি। ঈশান কিষান (২), নীতীশ রেড্ডিও (১৯) ব্যর্থ। তবে ক্লাসেনের বদান্যতায় শেষ তিন ওভারে রানের গতি কিছুটা বাড়ে। নাহলে দেড়শোর এপারেই থাকত নিজামের শহরের দলটি। ২৮ বলে ৩৭ করেন ক্লাসেন। সঙ্গতে ছিলেন অনিকেত ভার্মা (১৮ নট আউট)। মুম্বইয়ের সফলতম বোলার উইল জ্যাকস (২-১৪)। বল হাতে নজর কাড়েন বুমরাহও। চার ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন তিনি।
জবাবে মসৃণভাবে লক্ষ্যে এগিয়ে যায় মুম্বই। রোহিত শর্মা অবশেষে রানের দেখা পেলেন। ১৬ বলে ২৬ করেন তিনি। সঙ্গী ওপেনার রিয়ান রিকেলটনের সংগ্রহ ২৩ বলে ৩১। এছাড়া রান পান উইল জ্যাকস (৩৬), সূর্যকুমার যাদব (২৬), তিলক ভার্মা (২১) ও হার্দিক পান্ডিয়া (২১)।  হায়দরাবাদের হয়ে কামিন্স তিনটি ও এশান মালিঙ্গা দু’টি উইকেট পেয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ