সংবাদদাতা, রামপুরহাট: চারমাস ধরে অতিরিক্ত সাম্মানিক ভাতা না মেলায় রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হলেন নলহাটি-১ ব্লকের আইসিডিএস কর্মী ও সহায়িকারা। এর আগে গত ২৮ অক্টোবর তাঁরা সিডিপিওকে অফিসে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। ক্ষোভের মুখে পড়ে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ভাতা পেয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তারিখ অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ভাতা না মেলায় মঙ্গলবার মহকুমা শাসকের কাছে তাঁরা আসেন। যদিও তিনি না থাকায় অফিসের এক আধিকারিকের হাতে অভিযোগপত্র জমা দিয়ে ফিরে যান।
Advertisement
আন্দোলনকারীদের দাবি, প্রতি মাসে কেন্দ্রীয় সরকার সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে সাম্মানিক ভাতা দেয়। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকার অতিরিক্ত সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে প্রতি মাসে দেয়। কিন্তু কেন্দ্রের টাকা মিললেও চারমাস ধরে রাজ্যের ভাতা পাচ্ছি না। এই টাকায় সংসার চালিয়ে আইসিডিএস যাওয়া-আসা করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। সিডিপিও এখন বলছেন টাকা না আসলে কোথা থেকে দেব। আমাদের প্রশ্ন, তাহলে তিনি কেন বারবার মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছেন। তাঁরা বলেন, আর সিডিপিওর মিথ্যা আশ্বাসে ভুলতে রাজি নই। তাই মহকুমা শাসকের কাছে এসেছিলাম।
আইসিডিএস কর্মী মিনু খাতুন, রাখি সিনহারা বলেন, অন্যান্য ব্লকের কর্মীরা সঠিক সময়ে ভাতা পেয়ে আসছেন। অথচ আমরা পাচ্ছি না। এরই প্রতিবাদ ও দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিতে সেন্টার বন্ধ করার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রের ছোট্ট শিশুদের মুখ চেয়ে সেই ভাবনা থেকে সরে এসেছি। সেন্টার চালু রেখেই খুব শীঘ্রই বড়সড় আন্দোলনে আমরা নামব।
সিডিপিও সায়ন্তন মান্নাকে এবিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। মেসেজ করলেও উত্তর দেননি। তবে মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন।
আইসিডিএস কর্মী মিনু খাতুন, রাখি সিনহারা বলেন, অন্যান্য ব্লকের কর্মীরা সঠিক সময়ে ভাতা পেয়ে আসছেন। অথচ আমরা পাচ্ছি না। এরই প্রতিবাদ ও দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিতে সেন্টার বন্ধ করার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রের ছোট্ট শিশুদের মুখ চেয়ে সেই ভাবনা থেকে সরে এসেছি। সেন্টার চালু রেখেই খুব শীঘ্রই বড়সড় আন্দোলনে আমরা নামব।
সিডিপিও সায়ন্তন মান্নাকে এবিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। মেসেজ করলেও উত্তর দেননি। তবে মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন।



