Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পালা করে ক্লাস বা অন্য বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক, ঠেকনা দিয়ে চলছে অধিকাংশ স্কুল

শিক্ষকরা বিএলও ডিউটিতে নেমে যাওয়ায় স্কুল পরিচালনা এবং পঠনপাঠনে হিমশিম খাচ্ছে বহু জেলা। এই পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য বিভিন্ন জেলায় নানা বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

পালা করে ক্লাস বা অন্য বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক, ঠেকনা দিয়ে চলছে অধিকাংশ স্কুল
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষকরা বিএলও ডিউটিতে নেমে যাওয়ায় স্কুল পরিচালনা এবং পঠনপাঠনে হিমশিম খাচ্ছে বহু জেলা। এই পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য বিভিন্ন জেলায় নানা বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। বাঁকুড়া জেলার ডিপিএসসি চেয়ারম্যান নির্দেশ দিয়েছেন, যে স্কুলের সমস্ত শিক্ষক বিএলও ডিউটি পেয়েছেন, সেগুলির পঠনপাঠন চালানোর জন্য কাছাকাছি স্কুল থেকে শিক্ষকদের আনতে হবে।  দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডিপিএসসি চেয়ারম্যান অজিত নায়েক বলেন, ‘আমরা এরকম লিখিত কোনও নির্দেশিকা দিইনি। তবে, বোঝাপড়ার ভিত্তিতে পঠনপাঠন এবং মিড ডে মিল চালু রাখতে হচ্ছে। যে স্কুলের শিক্ষকরা কাছাকাছি এলাকায় ডিউটি পেয়েছেন, তাঁদের বলা হয়েছে পালা করে স্কুলে আসতে। কেউ প্রথম থেকে স্কুল করে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যাবেন, আবার কেউ ডিউটি সেরে স্কুলে আসবেন একটু দেরিতে। মঙ্গলবার থেকে এই বন্দোবস্ত চালু হয়েছে। জেলার সর্বত্র কীভাবে তা চলছে, সেই রিপোর্ট এখনও আসেনি।’ 

Advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় স্কুল, ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকের সংখ্যা যেমন রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, তেমনই এখানে শিক্ষকের অভাবও যথেষ্ট। ১৪০০-রও বেশি শিক্ষক পদ শূন্য। তাই অন্য স্কুল থেকে শিক্ষক আনার সম্ভাবনাও কম। তবে, সমস্ত শিক্ষককেই বিএলও ডিউটি দেওয়া হয়েছে, এমন স্কুলের সংখ্যা কলকাতায় বেশি। 
ডিপিএসসি চেয়ারম্যান কার্তিক মান্না বলেন, ‘কলকাতায় ৫০ শতাংশ শিক্ষকই বিএলও ডিউটিতে রয়েছেন। আপাতত এদিক-ওদিক করে ম্যানেজ করতে হচ্ছে। তবে, পরীক্ষার সময় সমস্যা হবে।’ যদিও, এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য প্রাথমিক বা মাধ্যমিক— কোনও স্তরেই এই জেলাগুলিতে কোনও লিখিত নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, বিএলও হিসেবে নিযুক্ত শিক্ষকদের নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়েছেন বিএলও ডিউটি প্রতিরোধ মঞ্চের আহ্বায়ক অনিমেষ হালদার।

সম্পর্কিত সংবাদ