নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশ ম্যাচে বাঁ পায়ে চোট পেয়েছিলেন আপুইয়া। জাতীয় শিবির থেকে মোহন বাগানে যোগ দিয়েছেন তিনি। কিন্তু নক-আউটে মিজো ফুটবলার কী খেলতে পারবেন? আগামী ৩ এপ্রিল প্রথম পর্বের সেমি-ফাইনাল। আপুইয়াকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। এদিন রিহ্যাব করলেন তিনি। চলাফেরায় জড়তা স্পষ্ট। ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তিনি। চলতি মরশুমে মোহন বাগান মাঝমাঠে বড় ভূমিকা নিয়েছেন এই তরুণ। বিশেষ করে ডিফেন্সিভ ব্লকার পজিশনে তাঁর বিকল্প নেই। তাই আপুইয়াকে ফিট করতে মরিয়া থিঙ্কট্যাঙ্ক। মনবীর, সাহাল আব্দুল সামাদসহ পূর্ণশক্তির দল নিয়েই মাঠে নামতে মুখিয়ে লিগ-শিল্ড জয়ীরা। জাতীয় দলের বাকি ফুটবলাররা বৃহস্পতিবার হাল্কা অনুশীলন করেন। হাতে কিছুটা সময় রয়েছে। অহেতুক তাড়াহুড়ো করতে নারাজ কোচ হোসে মোলিনা। জাতীয় দলের ম্যাচের জন্য বেশ কয়েকদিন বন্ধ রয়েছে আইএসএল। তাই দ্রুত ছন্দ ফিরিয়ে আনাই টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য।
আইএসএলে ইতিমধ্যেই ভারতসেরা মোহন বাগান। আরও দুটো হার্ডল টপকালে আইএসএল ট্রফিও ঢুকে পড়বে গঙ্গাপাড়ের ক্লাবে। প্রাক্তনদের ধারণা, চলতি মরশুমে ‘ডাবল’ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। পারফরম্যান্সের বিচারে অন্যদের তুলনায় কয়েক মাইল এগিয়ে কামিংসরা। উল্লেখ্য, শেষ চারে জামশেদপুর ও নর্থইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে পালতোলা নৌকা। উল্লেখ্য, গ্রুপ পর্বে নর্থইস্টকে দু’টি ম্যাচেই বশ মানান মনবীররা। জামশেদপুরকে যুবভারতীতে হারালেও অ্যাওয়ে ম্যাচে ড্র হয় ১-১ গোলে। ৩ এপ্রিল প্রথম পর্বের ম্যাচ। ফিরতি পর্বে ৭ এপ্রিল যুবভারতীতে খেলবে হোসে মোলিনার দল। অর্থাৎ গোল পার্থক্য দেখে নিয়েই হোম অ্যাডভান্টেজ কাজে লাগানোর সুযোগ মোলিনা বাহিনীর সামনে। চলতি টুর্নামেন্টে হোম ম্যাচে অপরাজিত মোলিনা-ব্রিগেড। সোনালি রেকর্ড দেখে সমর্থকদের চোখ চকচকে। খালি হাতে ফিরতে নারাজ তাঁরা। আসলে মোলিনার হাতে ম্যাচ উইনারের সংখ্যা প্রচুর। প্রয়োজনে জেসন কামিংস, পেত্রাতোস, গ্রেগ স্টুয়াটর্দের একসঙ্গে আপফ্রন্টে নামাতেও দ্বিধা করবেন না সবুজ-মেরুন হেডস্যার।
পাশাপাশি, ডেভেলপমেন্ট লিগের সর্বভারতীয় পর্যায়ে টানা দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিল মোহন বাগান। বৃহস্পতিবার মুথুট এফসিকে ২-১ ব্যবধানে হারায় তারা। সিবাজিৎ ছাড়াও স্কোরশিটে নাম তোলেন ভিয়ান।