সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: সংসদের বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছিলেন, তাঁর সরকারের নাম আসলে ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’। ১১ বছর ধরে তিনি সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির প্রভূত উন্নতি করেছেন। এবার সেই রিফর্ম এক্সপ্রেস দ্বিগুণ গতিতে ছুটবে। প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আগামী কালের বাজেটে থাকতে চলেছে আর্থিক সংস্কারমুখী একঝাঁক ঘোষণা। আর সেই সংস্কারের সবথেকে বড় মাধ্যম হতে চলেছে— সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণ! বৃহস্পতিবার প্রকাশিত আর্থিক সমীক্ষাতেও সেই ইঙ্গিত রয়েছে। বাজেটে তাই সরকারের হাতে সংস্থাগুলির অংশীদারিত্ব ন্যূনতম করার উপর জোর দেওয়া হতে পারে। ঠিক যেভাবে বিমায় প্রথমে ২৬ শতাংশ থেকে ৪৯ শতাংশ এবং তারপর ৭৪ শতাংশে বিদেশি লগ্নির রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানি আইনের সংশোধনের প্রস্তাবও থাকতে পারে বাজেটে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার ৫১ শতাংশ সরকারি মালিকানাকে কমিয়ে ২৬ শতাংশে নিয়ে আসার পথ প্রশস্ত করা। এতে একদিকে যেমন থাকবে বেসরকারিকরণের অবাধ সুযোগ, তেমনই আগামী দিনে সংস্থাগুলি হারাবে ‘সরকারি’ তকমাও। অর্থাৎ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কোনগুলিকে সরকারি বলা যাবে এবং কোনগুলিকে বলা যাবে না, সেই পৃথকীকরণ প্রক্রিয়াও শুরু হবে এই বাজেটেই।



