Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

মোদির ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’! সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণের পথ প্রশস্ত হবে বাজেটে

সংসদের বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছিলেন, তাঁর সরকারের নাম আসলে ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’। ১১ বছর ধরে তিনি সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির প্রভূত উন্নতি করেছেন।

মোদির ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’! সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণের পথ প্রশস্ত হবে বাজেটে
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: সংসদের বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছিলেন, তাঁর সরকারের নাম আসলে ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’। ১১ বছর ধরে তিনি সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির প্রভূত উন্নতি করেছেন। এবার সেই রিফর্ম এক্সপ্রেস দ্বিগুণ গতিতে ছুটবে। প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আগামী কালের বাজেটে থাকতে চলেছে আর্থিক সংস্কারমুখী একঝাঁক ঘোষণা। আর সেই সংস্কারের সবথেকে বড় মাধ্যম হতে চলেছে— সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণ! বৃহস্পতিবার প্রকাশিত আর্থিক সমীক্ষাতেও সেই ইঙ্গিত রয়েছে। বাজেটে তাই সরকারের হাতে সংস্থাগুলির অংশীদারিত্ব ন্যূনতম করার উপর জোর দেওয়া হতে পারে। ঠিক  যেভাবে বিমায় প্রথমে ২৬ শতাংশ থেকে ৪৯ শতাংশ এবং তারপর ৭৪ শতাংশে বিদেশি লগ্নির রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানি আইনের সংশোধনের প্রস্তাবও থাকতে পারে বাজেটে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার ৫১ শতাংশ সরকারি মালিকানাকে কমিয়ে ২৬ শতাংশে নিয়ে আসার পথ প্রশস্ত করা। এতে একদিকে যেমন থাকবে বেসরকারিকরণের অবাধ সুযোগ, তেমনই আগামী দিনে সংস্থাগুলি হারাবে ‘সরকারি’ তকমাও। অর্থাৎ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কোনগুলিকে সরকারি বলা  যাবে এবং কোনগুলিকে বলা যাবে না, সেই পৃথকীকরণ প্রক্রিয়াও শুরু হবে এই বাজেটেই।

Advertisement

সূত্রের খবর, বাজেটে ন্যাশনাল পেনশন পলিসি, ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প, মিউচুয়াল ফান্ড এবং সিনিয়র সিটিজেনদের লগ্নি প্রকল্পে আয়কর ছাড় দেওয়া হতে পারে। কিন্তু ২০২৫ সালে যেহেতু আয়কর ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং জিএসটি ছাড়ও দিয়েছে সরকার, তাই এবার সেই অর্থে বড়ো উপহারের সম্ভাবনা কম। উপহার যা আসতে পারে সেটি নতুন আয়কর ব্যবস্থায়। শিল্প-বাণিজ্য মহলের দাবি, স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনকে এক লক্ষ টাকায় নিয়ে যাওয়া দরকার। তাদের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রকের কাছে। কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, বাজারে তাহলে উদ্বৃত্ত টাকা আসবে। বাণিজ্য মহলের বক্তব্য, ২০২৫ সালে উৎসবের মরশুমে যেভাবে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তার যে বিরাট সুফল বাজার পেয়েছে এমন নয়। অর্থাৎ কেনাকাটা বিপুল বৃদ্ধি পায়নি। তাই সরাসরি মধ্যবিত্তের পকেটে উদ্বৃত্ত অর্থ দিতে হবে। বাজেটে সেই পরামর্শের প্রতিফলন কি দেখা যাবে?

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ