Bartaman Logo
৬ জুন, ২০২৬

হইচইয়ের মধ্যে চলতি অধিবেশনের প্রথম বিল পাশ করাল মোদি সরকার, কল্যাণের ইস্তফা গৃহীত, তৃণমূলের চিফ হুইপ কাকলি

মাত্র ছ’ মিনিটে পাশ বিল। প্রবল হট্টগোলের মধ্যেই। গত ১২ দিনে মঙ্গলবারই প্রথম একটি বিল পাশ হল। আলোচনা ছাড়াই। গোয়া বিধানসভায় আদিবাসী প্রতিনিধিত্ব সংক্রান্ত বিল।

হইচইয়ের মধ্যে চলতি অধিবেশনের প্রথম বিল পাশ করাল মোদি সরকার, কল্যাণের ইস্তফা গৃহীত, তৃণমূলের চিফ হুইপ কাকলি
  • ৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি; মাত্র ছ’ মিনিটে পাশ বিল। প্রবল হট্টগোলের মধ্যেই। গত ১২ দিনে মঙ্গলবারই প্রথম একটি বিল পাশ হল। আলোচনা ছাড়াই। গোয়া বিধানসভায় আদিবাসী প্রতিনিধিত্ব সংক্রান্ত বিল। যা নিয়ে বিরোধীরা সরকারের সমালোচনায় সরব। মোদি-শাহকে রীতিমতো চাপে ফেললেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সভা মুলতুবি হওয়ার পর সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘হট্টগোলের মধ্যেই বিল পাশ? সরকার তো সংসদ চালাতেই পারছে না। আমরা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) নিয়ে আলোচনা চাইছি। এতে সরকারের এত ভয় কীসের?’ ওয়েনাড়ের কংগ্রেস সাংসদ আরও বলেন, ‘স্রেফ বিহার নয়। এরপর গোটা দেশেই এসআইআর হবে। ফলে বিষয়টি তো জাতীয় ইস্যু। আর সেটি নিয়েই আলোচনা কেন এড়াচ্ছে সরকার?’ 

Advertisement

গত ২১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। প্রথম দিন থেকেই বিরোধীরা সরব এসআইআরে। সড়কেও এ বিষয়ে প্রতিবাদে উত্তাল করার পরিকল্পনা করেছে মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’। সেই মতো আগামী কাল বৃহস্পতিবার বিরোধী জোটের নৈশভোজ। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে সরকারের দেওয়া নতুন বাংলো ৫ সুনেহরি বাগের ঠিকানায়। যোগ দেবেন অভিষেক বন্দ্যোপা‌ধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, তেজস্বী যাদব, উদ্ধব থ্যাকারে, শারদ পাওয়ার, সুপ্রিয়া সুলেরা। আম আদমি পার্টি অবশ্য থাকবে না। 
এদিন বিরোধীদের বৈঠকে তৃণমূলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন লোকসভায় দলের নতুন মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষদস্তিদার। এতদিন যে পদে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মহুয়া মৈত্রর সঙ্গে বিতর্কে জড়ানোয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সরিয়ে দিয়েছেন। কাকলি ছিলেন উপদলনেত্রী। সেই জায়গায় এলেন শতাব্দী রায়। তবে এই ‘পদস্খলন’ আন্দাজ করেননি কল্যাণ। তৃণমূলের লোকসভার নতুন দলনেতা অভিষেক তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই বিশ্বাসেই কল্যাণ মঙ্গলবারও এসআইআর ইস্যুর প্রতিবাদে লোকসভায় ওয়েলে নেমে নেতৃত্ব দেন। তিনি আসার আগে বাকি সাংসদরা কংগ্রেসের সঙ্গে গলা মেলালেও আলাদা করে তৃণমূলের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠা পায়নি। কল্যাণের উচ্চগ্রামের স্লোগান বিরোধী স্বর তীব্র করল ঠিকই, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই দল ঘোষণা করল, মুখ্যসচেতক পদ থেকে তাঁর ইস্তফা গৃহীত। এবার কি তবে কল্যাণ সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন? দলের অন্দরে শুরু কানাঘুষো! 

সম্পর্কিত সংবাদ