দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: মহাকুম্ভের মাত্রাছাড়া ভিড় সামাল দিতে রেল প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, প্রয়াগরাজের মোট আটটি স্টেশনে প্রতি চার মিনিটে একটি স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে স্থির হয়, শুধুই প্রয়াগরাজের স্টেশন নয়। দেশের অন্যান্য যে শহরে একইভাবে ভিড় নজরে পড়ছে, তেমন স্টেশন থেকেই এভাবেই প্রয়াগরাজগামী স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। ‘বাছাই’ হওয়া তেমন কয়েকটি স্টেশনের মধ্যে অন্যতমই ছিল নিউদিল্লি। কিন্তু প্রতি চার থেকে পাঁচ মিনিটে নিউদিল্লি স্টেশন থেকে একটি প্রয়াগরাজগামী স্পেশাল ট্রেন চালানো তো দূর অস্ত! পদপিষ্টের ঘটনার দিন, অর্থাৎ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে নিউদিল্লি স্টেশনে দু’ঘণ্টায় মাত্র চারটি কুম্ভ স্পেশাল ট্রেন চালিয়েছিল রেলমন্ত্রক। অর্থাৎ, প্রতি পাঁচ মিনিটের পরিবর্তে আধঘণ্টায় চালানো হয়েছিল একটি প্রয়াগরাজগামী স্পেশাল ট্রেন।
Advertisement
পর্যাপ্ত স্পেশাল ট্রেন চলছে না। অথচ প্রতি মিনিটে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০টি জেনারেল ক্লাসের টিকিট। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই গত শনিবার রাতে নিউদিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে কুম্ভের পুণ্যার্থীদের মাত্রাছাড়া ভিড় হয়ে যায়। তা সামাল দিতেই রীতিমতো হিমশিম খেয়ে যায় রেল কর্তৃপক্ষ। এবং ঘটে যায় চরম বিপত্তি। যার বলি হন ১৮ জন। পদপিষ্টের ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট পেশ নিয়ে চরম গড়িমসির মধ্যেই এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার সামনে এসেছে। ফলে রেলের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।
সরকারি সূত্রের খবর, ঘটনার দিন রাত ৮টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিটের মধ্যে প্রয়াগরাজগামী ওই চারটি স্পেশাল ট্রেন চালানো হয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে নিউদিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে সাড়ে ৯টা নাগাদ। চোর পালানোর পর অবশ্য প্রত্যাশিতভাবেই বুদ্ধি বেড়েছে রেল বোর্ডের। নিউদিল্লি সহ একাধিক ‘হাই প্রোফাইল’ স্টেশনে তড়িঘড়ি তৈরি করা হচ্ছে জেনারেল ক্লাসের রেল যাত্রীদের ‘হোল্ডিং জোন’। স্টেশনে স্টেশনে মাত্রাছাড়া ভিড় সামাল দিতে এমনকী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। কিন্তু ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স’এর মাধ্যমে আদৌ কি ভিড় নিয়ন্ত্রণের স্থায়ী সুরাহা মিলবে? চর্চা থাকছেই।
সরকারি সূত্রের খবর, ঘটনার দিন রাত ৮টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিটের মধ্যে প্রয়াগরাজগামী ওই চারটি স্পেশাল ট্রেন চালানো হয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে নিউদিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে সাড়ে ৯টা নাগাদ। চোর পালানোর পর অবশ্য প্রত্যাশিতভাবেই বুদ্ধি বেড়েছে রেল বোর্ডের। নিউদিল্লি সহ একাধিক ‘হাই প্রোফাইল’ স্টেশনে তড়িঘড়ি তৈরি করা হচ্ছে জেনারেল ক্লাসের রেল যাত্রীদের ‘হোল্ডিং জোন’। স্টেশনে স্টেশনে মাত্রাছাড়া ভিড় সামাল দিতে এমনকী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। কিন্তু ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স’এর মাধ্যমে আদৌ কি ভিড় নিয়ন্ত্রণের স্থায়ী সুরাহা মিলবে? চর্চা থাকছেই।



