শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: খুন-ডাকাতি মিলিয়ে ১৮টি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তার নামের পাশে। এক কথায় ‘ডন’। এহেন এক কুখ্যাত অপরাধী গত তিন মাস ধরে গা ঢাকা দিয়েছিল কলকাতায়। তবে সে শুয়ে বসে থাকার পাত্র নয়। এখানেও এই তিন মাসে নেটওয়ার্ক সাজিয়েছে ঝাড়খণ্ডের ত্রাস লালু ওরফে সাদাব। তার বাড়ি প্রতিবেশী রাজ্যের চাতরায়। সম্প্রতি নারকেলডাঙায় এক পাঁঠা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক কোটি টাকা লুটের ঘটনায় নাম পাওয়া যায় লালুর। এই তথ্য হাতে পাওয়ার পর কপালে ভাঁজ পড়েছে লালবাজারের। সে যে খোদ কলকাতায় লুকিয়ে ছিল, তা ঘুণাক্ষরে টের পাননি কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, লালু নিজে দাঁড়িয়ে থেকেই ‘অপারেশন’ চালিয়েছিল নারকেলডাঙায়। তার বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হবে বলে খবর।
Advertisement
এক কোটি টাকা লুটের ঘটনায় পুলিস এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের জেরা করেই দলের পান্ডা লালুর নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে লালবাজারের গোয়েন্দাদের ধারণা হয়েছিল, লালু হয়তো অপরাধ জগতে নতুন। হয়ত ছোটখাট দু’-একটা অপরাধ করেছে। ধৃতদের জেরা করে সেই ধারণা ভেঙেছে তাঁদের। লালু যে এই লাইনে ‘পাকা’ খেলোয়াড়, তা বুঝতে বাকি নেই আর। তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের চাতরা জেলার প্রতাপপুর থানা এলাকায় অভিযুক্তের বাড়ি। তার খোঁজে ওই রাজ্যে যান তদন্তকারীরা। প্রতাপপুর থানায় গিয়ে তদন্তকারীরা যা জানতে পেরেছেন, তাতে তাঁদের চোখ কপালে উঠেছে। ঝাড়খণ্ড পুলিস জানিয়েছে, ওই রাজ্যে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় নাম রয়েছে লালুর। ২০১০ সাল থেকে সে খুন, ডাকাতি, লুটের মতো একাধিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। এমনকী, এলাকায় তোলা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগে একাধিকবার ধরা পড়লেও প্রভাব খাটিয়ে বারবার জামিন পেয়েছে সে। শেষমেশ ২০১৮ সালে গ্রেপ্তারের পর ছ’বছর জেলবন্দি ছিল। ২০২৪ সালের জুন মাসে জেল থেকে বেরিয়ে ফের ঢুকে পড়ে অপরাধ জগতে।
বিহারে খুন ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঝাড়খণ্ড পুলিসের খাতায় সব মিলিয়ে ১৮টি অপরাধের রেকর্ড রয়েছে তার নামে। লালু এর পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসাও করে। জানা গিয়েছে, মাস মাইনে দিয়ে ‘গুন্ডা’ পুষেছে লালু। তারাই ‘অপারেশন’ চালায়। তবে নিজে সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেয় সে। মাস তিনেক আগে বিহারের শেরঘাঁটি কোর্ট চত্বরে তার প্রতিপক্ষ ফোটু খানকে গুলি করে খুন করে লালু। তারপর গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালায়। তখন থেকেই তাকে খুঁজছিল বিহার ও ঝাড়খণ্ড পুলিস। তারপর গা ঢাকা দিতে পালিয়ে আসে কলকাতায়। এই শহরে বসেই খুন ও ডাকাতি করার জন্য টিম তৈরি করে লালু। নারকেলডাঙার ঘটনা তারই ফসল। আরও কয়েকটি জায়গায় ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল তার। সে এখন কলকাতায়, নাকি অন্যত্র পালিয়েছে, সেই খোঁজই চলছে।
বিহারে খুন ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঝাড়খণ্ড পুলিসের খাতায় সব মিলিয়ে ১৮টি অপরাধের রেকর্ড রয়েছে তার নামে। লালু এর পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসাও করে। জানা গিয়েছে, মাস মাইনে দিয়ে ‘গুন্ডা’ পুষেছে লালু। তারাই ‘অপারেশন’ চালায়। তবে নিজে সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেয় সে। মাস তিনেক আগে বিহারের শেরঘাঁটি কোর্ট চত্বরে তার প্রতিপক্ষ ফোটু খানকে গুলি করে খুন করে লালু। তারপর গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালায়। তখন থেকেই তাকে খুঁজছিল বিহার ও ঝাড়খণ্ড পুলিস। তারপর গা ঢাকা দিতে পালিয়ে আসে কলকাতায়। এই শহরে বসেই খুন ও ডাকাতি করার জন্য টিম তৈরি করে লালু। নারকেলডাঙার ঘটনা তারই ফসল। আরও কয়েকটি জায়গায় ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল তার। সে এখন কলকাতায়, নাকি অন্যত্র পালিয়েছে, সেই খোঁজই চলছে।



