Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

মূল্যবৃদ্ধির গেরো, মিড ডে মিল: পড়ুয়া পিছু উপাদান খরচ বাড়াল কেন্দ্র

মূল্যবৃদ্ধি যে হচ্ছে তা মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে কেন্দ্র। ফলে মিড ডে মিল কর্মসূচিতে (পিএম পোষণ স্কিম) স্কুল পড়ুয়াদের পাতে পুষ্টিকর খাবার তুলে দিতে স্কুল পড়ুয়া পিছু দৈনিক মেটেরিয়াল কস্ট বাড়ানো হল।

মূল্যবৃদ্ধির গেরো, মিড ডে মিল: পড়ুয়া পিছু উপাদান খরচ বাড়াল কেন্দ্র
  • ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মূল্যবৃদ্ধি যে হচ্ছে তা মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে কেন্দ্র। ফলে মিড ডে মিল কর্মসূচিতে (পিএম পোষণ স্কিম) স্কুল পড়ুয়াদের পাতে পুষ্টিকর খাবার তুলে দিতে স্কুল পড়ুয়া পিছু দৈনিক মেটেরিয়াল কস্ট বাড়ানো হল। ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে মোদি সরকারকে এর জন্য বাড়তি গুণতে হবে প্রায় ৯৫৪ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবারই এই ঘোষণা করেছে শিক্ষামন্ত্রক। তবে একইসঙ্গে এই প্রসঙ্গে রাজ্যগুলির কাছে কার্যত একটি বেনজির আর্জিও জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। তাতে বলা হয়েছে যে, রাজ্যগুলি চাইলে তার নির্ধারিত ‘শেয়ার’এর তুলনায় এক্ষেত্রে বেশি অর্থ দিতেই পারে। 

Advertisement

শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, উপাদান খরচের এই পরিমাণ ন্যূনতম বাধ্যতামূলক ‘রেট’। কিন্তু রাজ্যগুলি চাইলে বেশি টাকা দিতেই পারে। এমন বহু রাজ্য আছে, যারা এটি করে থাকে। যদিও রাজ্যগুলির নাম উল্লেখ করেনি শিক্ষামন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, মিড ডে মিলের বর্ধিত উপাদান খরচের পরিমাণ কার্যকর হবে আগামী ১ মে থেকে। বর্ধিত খরচের পরিমাণ কত হচ্ছে? শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, বাল-ভাটিকার (প্রাক-প্রাথমিক পর্ব) জন্য পড়ুয়া পিছু দৈনিক মিড ডে মিলের উপাদান খরচের পরিমাণ ছিল ৬ টাকা ১৯ পয়সা। তা ৫৯ পয়সা বাড়িয়ে করা হচ্ছে ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। প্রাথমিকেও এর পরিমাণ ছিল ৬ টাকা ১৯ পয়সা। এক্ষেত্রেও উপাদান খরচ বাড়ানো হয়েছে ৫৯ পয়সা। উচ্চ প্রাথমিকের ক্ষেত্রে স্কুল পড়ুয়া পিছু দৈনিক মিড ডে মিলের উপাদান খরচ ছিল ৯ টাকা ২৯ পয়সা। তা ৮৮ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন পরিমাণ হচ্ছে ১০ টাকা ১৭ পয়সা। শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, বৃদ্ধির হার প্রায় সাড়ে ন’শতাংশ। ছাত্রছাত্রী পিছু প্রতি মিলের জন্য বাল-ভাটিকা এবং প্রাথমিক স্তরে শস্য কেনা হয় ২০ গ্রাম এবং উচ্চ প্রাথমিকে ৩০ গ্রাম। সব্জির পরিমাণ বাল-ভাটিকা এবং প্রাথমিকে ৫০ গ্রাম ও উচ্চ প্রাথমিকে ৭৫ গ্রাম। তেল পাঁচ গ্রাম এবং সাড়ে সাত গ্রাম। বাকি মশলাপাতি এবং জ্বালানির ব্যবহার হয় চাহিদা মেনে। শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছেন, শ্রমমন্ত্রকের ‘কনজিউমার প্রাইস ইন্ডেক্স’ মেনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ