নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: অনলাইনে গাড়ি বিক্রি নিয়ে আন্তঃজেলা প্রতারণা চক্রের হদিশ পেল বাঁকুড়া পুলিস। ছাতনার বাসিন্দা এক যুবককে প্রতারকরা ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকার জাল ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দিয়ে একটি চারচাকা গাড়ি হাতিয়ে নিয়েছিল। ওই যুবক একটি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি পুরনো গাড়িটি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। তা দেখে প্রতারকরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে বিশ্বজিৎ রক্ষিত নামে ওই যুবক ছাতনা থানার ঝাঁটিপাহাড়ী ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। দ্রুত পুলিস মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। সিসিটিভি-র ফুটেজ, কল রেকর্ড সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখে পুলিস উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থেকে শেখ সেলিম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত ওই প্রতারণা চক্রের সদস্য বলে পুলিসের দাবি। সেলিম ছাড়াও আরও কয়েকজনের খোঁজে বাঁকুড়া পুলিস হন্যে হয়ে ঘুরছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, অনলাইনে ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ গাড়ি বেচাকেনার বড় একটি চক্র এর পিছনে কাজ করছে বলে প্রাথমিক তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি। সেলিম ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার হেফাজত থেকেই হাতিয়ে নেওয়া গাড়িটি আমরা উদ্ধার করেছি। চক্রের মূল পান্ডা সহ বাকিদের খোঁজ চলছে। তাদের গ্রেপ্তার করে এব্যাপারে বিস্তারিত বলতে পারব।
বিশ্বজিৎবাবু বলেন, একটি বহুল প্রচলিত ওয়েবসাইটে আমি কিছুদিন আগে বছর পাঁচেকের পুরনো চারচাকা গাড়িটি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিই। তা দেখে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি আমাকে ফোন করে। সে তার ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে এক যুবককে আমার কাছে পাঠায়। গত ৪ জানুয়ারি আমাকে ওই যুবক একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দেয়। আমি তা ঝাঁটিপাহাড়ীর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় জমা দিই। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ডিমান্ড ড্রাফট দেখে সেটি জাল বলে আমাকে জানিয়ে দেয়। ৬ জানুয়ারি আমি ব্যাঙ্ক থেকেই ওই যুবককে ফোন করি। ফোন ধরে বর্ধমানে আছে বলে আমাকে সে জানায়। ওইদিন আমার কাছে আসবে বলেও কথা দেয়। কিন্তু, তারপর ওই যুবক মোবাইল বন্ধ করে দেয়। কলকাতার ওই ব্যক্তির সঙ্গেও আর যোগাযোগ করা যায়নি। তারপর আমি পুলিসের দ্বারস্থ হই।
এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে যে ব্যক্তি বিশ্বজিৎবাবুকে গাড়িটি কেনার জন্য আধার, প্যান কার্ড সহ অন্যান্য নথির জেরক্স দিয়েছিল, সেগুলি সবই ভুয়ো। গাড়িটি বাঁকুড়া থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন চালককে অনলাইনে ভাড়া করা হয়েছিল। তার সূত্র ধরেই আমরা দত্তপুকুরে পৌঁছই। সেখানে সেলিমের গ্যারেজে গাড়িটি রাখা ছিল। অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে গাড়িটি কিনেছিল বলে সেলিম জেরায় জানিয়েছে। আমরা গাড়িটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি সেলিমকে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেপ্তার করি। কোন কোন জেলায় এই চক্রের জাল ছড়িয়ে রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।
বিশ্বজিৎবাবু বলেন, একটি বহুল প্রচলিত ওয়েবসাইটে আমি কিছুদিন আগে বছর পাঁচেকের পুরনো চারচাকা গাড়িটি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিই। তা দেখে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি আমাকে ফোন করে। সে তার ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে এক যুবককে আমার কাছে পাঠায়। গত ৪ জানুয়ারি আমাকে ওই যুবক একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ‘ডিমান্ড ড্রাফট’ দেয়। আমি তা ঝাঁটিপাহাড়ীর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় জমা দিই। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ডিমান্ড ড্রাফট দেখে সেটি জাল বলে আমাকে জানিয়ে দেয়। ৬ জানুয়ারি আমি ব্যাঙ্ক থেকেই ওই যুবককে ফোন করি। ফোন ধরে বর্ধমানে আছে বলে আমাকে সে জানায়। ওইদিন আমার কাছে আসবে বলেও কথা দেয়। কিন্তু, তারপর ওই যুবক মোবাইল বন্ধ করে দেয়। কলকাতার ওই ব্যক্তির সঙ্গেও আর যোগাযোগ করা যায়নি। তারপর আমি পুলিসের দ্বারস্থ হই।
এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে যে ব্যক্তি বিশ্বজিৎবাবুকে গাড়িটি কেনার জন্য আধার, প্যান কার্ড সহ অন্যান্য নথির জেরক্স দিয়েছিল, সেগুলি সবই ভুয়ো। গাড়িটি বাঁকুড়া থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন চালককে অনলাইনে ভাড়া করা হয়েছিল। তার সূত্র ধরেই আমরা দত্তপুকুরে পৌঁছই। সেখানে সেলিমের গ্যারেজে গাড়িটি রাখা ছিল। অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে গাড়িটি কিনেছিল বলে সেলিম জেরায় জানিয়েছে। আমরা গাড়িটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি সেলিমকে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেপ্তার করি। কোন কোন জেলায় এই চক্রের জাল ছড়িয়ে রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।



