Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৬ লক্ষ কোথায়? হিসেব দিতে স্কুলকে ১৫ দিনের সময়সীমা

৬ লক্ষ কোথায়? হিসেব দিতে স্কুলকে ১৫ দিনের সময়সীমা
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডির কাঁঠালহাট শিকারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার কোনও হিসেব নেই। সেজন্য তদন্তে নামল জেলা সমগ্র শিক্ষা মিশন। ২০২২ সালের কম্পোজিট গ্র্যান্ট, ইউনিফর্ম, শিক্ষা সচেতনতা মূলক ফান্ড ও সমগ্র শিক্ষা মিশনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাপ্ত সুদসহ প্রায় ৬ লক্ষ জমা ছিল কুশমণ্ডি কাঁঠালহাট শিকারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তহবিলে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর ধরে জেলা সমগ্র শিক্ষা মিশনকে প্রকল্পের খাতে খরচের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি। এদিকে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে পর্যায়ক্রমে সরকারি অর্থ খরচ হয়ে যায়। এই ঘটনার তদন্তে নামে কুশমণ্ডি উত্তর চক্র অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক। খতিয়ে দেখে জেলা সমগ্র শিক্ষা মিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়। সরকারি অর্থ তছরূপ হচ্ছে বুঝতে পারেন জেলা দপ্তরের আধিকারিকরা। বুধবার জেলা সমগ্র শিক্ষা মিশনের প্রজেক্ট আধিকারিক বিমল কৃষ্ণ গায়েন সংশ্লিষ্ট স্কুলে এসে তদন্ত করেন। কথা বলেন  প্রধান শিক্ষক সুব্রত মহন্তের সঙ্গে। সরকারি অর্থের খরচ নিয়ে যা অসঙ্গতি সামনে এসেছে, তা সমাধান করার জন্য ১৫ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে যান আধিকারিক।
Advertisement
সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, প্রধান শিক্ষক প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা খরচের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট ১৫ দিনের মধ্যে দপ্তরে জমা করবেন। বাকি স্কুলের অ্যাকাউন্টে সমগ্র শিক্ষা মিশন যে টাকা দিয়েছে, সবটা দিয়ে মোট প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা করবেন ওই শিক্ষক। নাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে দপ্তর।
জেলা সমগ্র শিক্ষা মিশনের আধিকারিক বিমল কৃষ্ণ গায়েন বলেন, রুটিন ভিজিট করেছি স্কুলে। আর্থিক কিছু সমস্যা হয়েছে। সবটা ঠিক করার জন্য ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।  
স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুব্রত মহন্ত বলেন, স্কুলের সরকারি অর্থের হিসেব মিলছে না এমনটা নয়। আমি যা খরচ করেছি, দপ্তরের কাছে জমা করব ১৫ দিনের মধ্যে। ব্যাঙ্কের সুদ খরচ করা যায় না। সেই টাকাও স্কুলের অ্যাকাউন্টে জমা করে দেব।
সম্পর্কিত সংবাদ