নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: শহরজুড়ে একের পর এক বহুতল গজিয়ে উঠলেও ইংলিশবাজারে পার্কিং ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: শহরজুড়ে একের পর এক বহুতল গজিয়ে উঠলেও ইংলিশবাজারে পার্কিং ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বইয়ের মতো মেট্রোপলিটন সিটির আদলে এবার ইংলিশবাজারেও পার্কিং লট তৈরির ভাবনা পুরসভার। ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, আমরা পাঁচ বছরের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি তাতে আগামী দিনে ইংলিশবাজার শহরে পার্কিংজোন তৈরি করা হবে।
সম্প্রতি শহররে উত্তর যদুপুরে একটি শপিংমল তৈরি হয়েছে। সেখানে এই ধরনের অত্যাধুনিক পার্কিংজোন রয়েছে বলে চেয়ারম্যান জানান। পার্কিং লট তৈরির জন্য শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গাকে বেছে নেওয়া হবে।
এরপর সেখানে পাঁচ, ছয় এবং সাত তলা একটি পার্কিং লট তৈরি করা হবে। যেখানে র্যাম্প তৈরি করা হবে। এই র্যাম্প দিয়েই যেকোনও ছোট গাড়ি, মোটর বাইক ঘুরে ঘুরে সাত তলা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাবে। মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক উত্তম বসাক এবিষয়ে বলেন, মালদহে একে পার্কিং নেই, তার উপর টোটোর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র যানজটের জেরে ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছেন। বাইরে থেকে যাঁরা এখানে আসছেন তাঁদের অনেক দূরে গাড়ি রেখে দোকানে ঢুকতে হচ্ছে।
প্রতিদিন এই শহরে চিকিৎসা করাতে পাশের জেলা থেকে শুরু করে বিহার ঝাড়খণ্ড থেকে অনেকে আসেন। মালদহ টাউন স্টেশন দেশের রেল মানচিত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন। এখানে ট্রেন ধরতে অনেকেই বাইরে থেকে আসেন। এছাড়াও বাণিজ্যিক কারণে বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসা যাওয়া করেন।
এত এত মানুষ প্রতিদিন শহরে এলেও তাঁদের জন্য পার্কিংয়ের কোনও সুবন্দোবস্ত নেই এখানে। স্বাভাবিকভাবেই রাস্তার ধারেই গাড়ি রাখতে হয়। এতে একদিকে যেমন জনজীবন স্তব্ধ হয়ে পড়ছে, আবার অন্যদিকে রাস্তায় গাড়ি রাখলে পুলিস এসে জরিমানা করে যাচ্ছে।
যেখানে সেখানে পার্কিং করতে গেলে পুলিস ফাইন করছে। পুরসভা পার্কিং লটের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাতে শহরবাসী খুবই উপকৃত হবে। শীঘ্রই এখানে পার্কিং লট তৈরি করতে না পারলে জনজীবন কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাবে। কারণ বাণিজ্যিক শহর মালদহে প্রতিদিন গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে।