Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

৪৩’এও বিদ্যুৎগতি, মাহিতে মজেছেন হেডেন-বাউচাররা

‘চিতে কি চাল, বাজ কি নজর অউর বাজিরাওকে তলওয়ারপে, থুড়ি, মাহি কি স্টাম্পিংপে সন্দেহ্ নেহি করতে।

৪৩’এও বিদ্যুৎগতি, মাহিতে মজেছেন হেডেন-বাউচাররা
  • ২৫ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: ‘চিতে কি চাল, বাজ কি নজর অউর বাজিরাওকে তলওয়ারপে, থুড়ি, মাহি কি স্টাম্পিংপে সন্দেহ্ নেহি করতে। কভিভি মাত দে সকতি হ্যায়!’ বাজিরাও মাস্তানির সেই বিখ্যাত ডায়ালগের সামান্য রূপভেদেই ধরা পড়ে উইকেটের পিছনে ধোনির মস্তানি। রবিবার চিপকে নুর অহমেদের বলে সূর্যকুমারকে চোখের পলকে স্টাম্পড করে প্রচারের শিরোনামে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। পিছনে না ফিরেই সোজা ডাগ-আউটের দিকে হাঁটা লাগান সূর্য। আসলে তিনি জানতেন ধোনি যখন বেল ফেলে দিয়েছেন, তখন আর নিস্তারের কোনও সুযোগ নেই। চেন্নাই সুপার কিংস বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের এটাই ছিল সেরা দৃশ্য। ৪৩ বছরেও বিদ্যুৎগতির মাহিকে দেখে মুগ্ধ ক্রিকেট মহল।

Advertisement

সূর্যর ইনসাইড-আউট শট ফসকানো আর ধোনির স্টাম্পিংয়ের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ০.১২ সেকেন্ডের। মুম্বই অধিনায়কের ব্যাটসুইং শেষ হওয়ার আগেই খেল খতম। কমেন্ট্রি বক্সে তখন উত্তেজিত রবি শাস্ত্রী, মজার ছলে বললেন, ‘ভিড়ের মধ্যে ধোনি থাকলে কোনও মানুষ চাইবে না যে, তার পকেট থেকে পার্সের কোনাটুকুও বেরিয়ে থাকুক।’ এক কদম এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন উইকেটরক্ষক মার্ক বাউচারের মন্তব্য, ‘আমার কাছে ধোনি এক অকল্পনীয় বিষ্ময়। আইপিএলের জন্য ও নিজেকে যে ভাবে তৈরি রেখেছে তা শেখার মতো। উইকেটের পিছনে সকলের থেকে আলাদা। আমি এখনও ওর থেকে অনেক কিছু শিখি।’ মাহি বন্দনায় কার্পণ্য করেননি ম্যাথু হেডেনও। ২০১০ সালে চেন্নাইয়ে এমএসডির সঙ্গে খেলেছেন প্রাক্তন অজি ওপেনার। ম্যাচ শেষে তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘ক্রিকেটার হিসেবে ধোনির সঠিক পরিমাপ পাওয়া কঠিন। ৪৩ বছরেও ওর দৃষ্টি, ক্ষিপ্রতা কিংবা ফুটওয়ার্কে বিন্দুমাত্র জং পড়েনি। ওকে দেখে মন ভরে যাচ্ছে।’ আর বোলার নুর তো রীতিমতো অভিভূত। আফগান স্পিনারটি বলেন, ‘সূর্যকুমারের উইকেটটা আমার নয়, মাহি ভাইয়ের। স্টাম্পের পিছনে তাঁকে পেয়ে অমি ধন্য।’
গোটা বিশ্ব যখন তাঁর বন্দনায় মত্ত, মাহি তখন যথারীতি ‘কুল’। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি আলাদা কিছুই করিনি। দীর্ঘ কেরিয়ারে যা শিখেছি, তারই বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। দলের প্রয়োজনে নিজেকে উজাড় করে দেওয়াই একজন পেশাদার ক্রিকেটারের কাজ। এখনও সেই মন্ত্রই আমার চালিকা শক্তি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ