নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ‘কাম ব্যাক’ করেছে আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। বাম দুর্গ জেএনইউতে গেরুয়া ঝড়ের ঝাপটা কি বাংলার যাদবপুরেও এসে পড়বে? এই প্রশ্নই উঠছে ক্যাম্পাসে। এবিভিপি বলছে, যাদবপুরে গেরুয়া পতাকা ওড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। বাম ছাত্র সংগঠনগুলো পাল্টা বলছে, যাদবপুর সহজ নয়। এখানকার বাম বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে গেরুয়া পতাকা উড়তে পারবে না।
এবিভিপির দক্ষিণবঙ্গের সম্পাদক অনিরুদ্ধ সরকার বলছেন, ‘যাদবপুরে একটা সময় রাষ্ট্রবাদীরা সামনে আসতে পারত না। এখন সেখানে রামনবমী, সরস্বতী পুজো হচ্ছে। যাদবপুরে নির্বাচন হলেই আপনারা দেখতে পাবেন। যাদবপুরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সার্জিকাল স্ট্রাইক হবে।’
অন্যদিকে এসএফআই বলছে, জেএনইউতে হারের কারণ বাম ঐক্যে ভাঙন। এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলছেন, ‘যাদবপুরে এবিভিপি খুবই প্রান্তিক। জেএনইউতে বামেদের ভাগাভাগির জন্য দক্ষিণপন্থীরা সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু যাদবপুরে বাম বনাম বাম লড়াই চলে। এখানে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে হয় না।’
জেএনইউতে বাম দুর্গ টিকিয়ে রেখেছে সিপিআই (এমএল)-এর ছাত্র সংগঠন আইসা। আইসার রাজ্য সভাপতি ঋতম মাজি বলছিলেন, ‘সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গৈরিক আক্রমণ হচ্ছে। সেখানে জেএনইউ তো প্রতিরোধ করেছে। এটা আমাদের কাছে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করে না। আমাদের সার্বিকভাবে বাম ঐক্যে জোড় দিতে হবে।’ অনেকে বাম কর্মী-সমর্থক বলছেন, বামেদের অনমনীয় মনোভাবের জন্যই জেএনইউতে এমন হল। এর থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার।