Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১০০ দিনের কাজের বকেয়া মজুরি নিয়ে সরব বাম-বিজেপি, দ্রুত মেটানোর আশ্বাস মেয়রের

এই ইস্যুতে প্রশ্নোত্তর ও শাসক-বিরোধী বাগযুদ্ধে এদিনের পুর-অধিবেশন সরগরম হয়ে রইল।

১০০ দিনের কাজের বকেয়া মজুরি নিয়ে সরব  বাম-বিজেপি, দ্রুত মেটানোর আশ্বাস মেয়রের
  • ২৩ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তিন মাস ধরে মিলছে না ১০০ দিনের কাজের (শহুরে রোজগার যোজনা) টাকা। বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে রয়েছে প্রক্রিয়া। শনিবার কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনে বাম এবং বিজেপি কাউন্সিলারদের প্রশ্নের মুখে একথা স্বীকার করে নিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে বাকি টাকা পেয়ে যাবেন ১০০ দিনের কাজের কর্মীরা। এই ইস্যুতে প্রশ্নোত্তর ও শাসক-বিরোধী বাগযুদ্ধে এদিনের পুর-অধিবেশন সরগরম হয়ে রইল। তার মধ্যেই বিজেপিকে মেয়রের খোঁচা, কেন্দ্র তো বাংলার বিপুল অঙ্কের ন্যায্য প্রাপ্য আটকে রেখেছে। 

Advertisement

এদিন অধিবেশনে ১০০ দিনের কাজের কর্মীদের বকেয়া মেটানো নিয়ে বাম এবং বিজেপি একযোগে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পুরবোর্ডকে আক্রমণ করে। কেন মজুরি মিলছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলার নন্দিতা রায় এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্ষীয়ান বিজেপি কাউন্সিলার মীনাদেবী পুরোহিত। জবাবে ফিরহাদ বলেন, ‘১০০ দিনের কাজের টাকা অনেকটাই বকেয়া পড়ে গিয়েছে। এটা সত্যিই সমস্যার। রাজ্য সরকারের থেকে সময়মতো টাকা না পাওয়ায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই মজুরি যাতে নিয়মিত মেলে, তার জন্য একটি পৃথক ফান্ড পুরসভার তরফে করতে চেয়েছিলাম। সেখান থেকে টাকা মেটাতাম। রাজ্য টাকা পাঠালে সেই ফান্ডে রেখে দেওয়া হতো। কিন্তু অর্থদপ্তর সেই অনুমতি দেয়নি।’ পাশাপাশি, মজুরি সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানো নিয়ে কিছু প্রশাসনিক জটিলতাও তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে ইতিমধ্যে অর্থদপ্তর টাকা ছেড়ে দিয়েছে। আশা করছি, আগামী তিনদিনের মধ্যে কর্মীরা তাঁদের টাকা পেয়ে যাবেন।’
মেয়রের এই বক্তব্যের পর মীনাদেবী ১০০ দিনের কাজের কর্মীদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি তোলেন। তখন ফিরহাদ বলেন, ‘কোথাও কোথাও কিছু অভিযোগ রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের কাজের টাকা (কেন্দ্রীয় প্রকল্প) বন্ধ করে রেখেছে। উত্তরপ্রদেশে বাংলার থেকে বেশি অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সেখানে সবকিছু ঠিকঠাক চলছে।’ এরপরই মীনাদেবীর উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বাংলার প্রাপ্য ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা আনার ব্যবস্থা করুন। মজুরি দ্বিগুণ করে দেব।’  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ