নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আইন কার্যকর হয়ে গিয়েছে ২০২৪ সালের ২১ জুন থেকে। যেখানে বলা হয়েছে, ধরা পড়লে হতে পারে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। এক কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানা। কিন্তু সেই ‘দ্য পাবলিক এগজামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস)’ আইনকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ডাবল ইঞ্জিন রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মণিপুরে চলছে দেদার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সংসদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে বিরোধীরা সরব হতে পারে।
উত্তরপ্রদেশে অঙ্ক, হরিয়ানায় অঙ্ক আর ইংরেজি, মহারাষ্ট্রে মারাঠি, মণিপুরে সোশ্যাল সায়েন্সের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলেই অভিযোগ। কংগ্রেস শাসিত হিমাচল প্রদেশে ইংরেজি, কং-জেএমএম জোট সরকারের ঝাড়খণ্ডে হিন্দি এবং বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও একইভাবে ফাঁস হয়েছে বলেও অভিযোগ সামনে এসেছে। তাই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর প্রশ্ন, নিটের পরেও কি সরকার শিক্ষা নেয়নি? প্রশ্নপত্র ফাঁস আমাদের দেশের তরুণদের সামনে চক্রব্যূহের মতো দাঁড়িয়েছে। ৮৫ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ বিপদের মুখে। ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে রাহুলের মন্তব্য, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় যারা পরিশ্রম করে পড়াশোনা করে, তাদের প্রভূত সমস্যা হয়। পরিবারের ওপরও মানসিক প্রভাব পড়ে। মোদি সরকার নতুন আইন তো আনল, এক বছরও হয়নি প্রমাণ হচ্ছে ওই আইন কোনও কাজেই দিচ্ছে না।