কাঠমাণ্ডু, ১১ সেপ্টেম্বর: সুশীলা কারকি নন। সব ঠিক থাকলে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে চলেছেন কুল মান ঘিসিং। এর আগে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। সূত্রের খবর, আন্দোলনকারী জেন-জি নেতারা এখন এই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের হাতে দেশের হাল তুলে দিতে চাইছেন। সরকারি ঘোষণা শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে গতকাল রাত পর্যন্তও সুশীলা কারকির নাম নিয়ে সবথেকে বেশি আলোচনা হয়েছে। ছাত্র-যুবাদের একটা বড় অংশ বৈঠকে তাঁকেই বেছে নিয়েছিলেন। এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণে প্রাথমিক সম্মতিও জানিয়েছিলেন সুশীলা। আজ সকালে সেনাবাহিনীর পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি কয়েক দফা বৈঠক করেছেন বলেও শোনা যায়। সেনার সঙ্গে বৈঠক হয় আন্দোলনকারীদেরও। সুশীলার বয়স বর্তমানে ৭৩ বছর। সূত্রের খবর, মূলত বয়সের কারণে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সির দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছেন নেপালের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। পরিবর্তে তরুণ ঘিসিংকে বেছে নেন আন্দোলনকারীরা।
এদিকে, শান্তির পথে ক্রমশ পা বাড়াচ্ছে নেপাল। আজ, বৃহস্পতিবার নতুন করে হিংসার কোনও ঘটনা ঘটেনি। যদিও কড়া নিরাপত্তার চাদরে রাজধানী কাঠমাণ্ডু। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব হাতে তুলে নিয়েছে নেপালি সেনা। শহরজুড়ে চলছে সেনা টহল। কার্ফুর মেয়াদ আগামীকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নেপালের চলতি আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৫ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গিয়েছে। বাকি ছ’জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও এক মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।