Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে মন্দারমণিতে ঢেলে সাজছে মেরিন ড্রাইভের রাস্তা

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে মন্দারমণিতে ঢেলে সাজছে মেরিন ড্রাইভের রাস্তা
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাঁথি: ১২কোটি টাকা খরচে পর্যটনকেন্দ্র মন্দারমণির মেরিন ড্রাইভ রাস্তা ঢেলে সাজানো হচ্ছে। দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা এই টাকা বরাদ্দ করেছে। তাজপুর সেতু থেকে উত্তরে মন্দারমণির দাদনপাত্রবাড় পর্যন্ত ছ’কিলোমিটারের বেশি রাস্তা পেভার্স ব্লক দিয়ে মুড়ে ফেলা হচ্ছে। দু’পাশে কংক্রিটের গার্ডওয়াল তৈরি করা হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে পর্যটক ও স্থানীয়রা স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারছেন। কিন্তু, দাদনপাত্রবাড় থেকে উত্তরে শৌলার দিকে মেরিন ড্রাইভের রাস্তা তৈরির কাজ কয়েকমাস ধরে থমকে রয়েছে। ফলে ওই রাস্তা দিয়ে ধুলো ও গর্তের কারণে যাতায়াতই মুশকিল হয়ে পড়েছে।
Advertisement
দাদনপাত্রবাড় থেকে মন্দারমণি হয়ে তাজপুর সেতু পর্যন্ত রাস্তা বহুদিন ধরে চূড়ান্ত বেহাল ছিল। খানাখন্দে ভরে গিয়েছিল। বর্ষাকালে রাস্তার সেই সব গর্তে জল জমে ডোবার আকার নিয়েছিল। এই রাস্তা দিয়েই পর্যটকদের হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করে। স্থানীয় ৩০-৪০টি গ্রামের মানুষ রোজ যাতায়াত করেন। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া-আসা নরকযন্ত্রণার শামিল হয়ে পড়েছিল। মাঝেমধ্যে জোড়াতালি দিয়ে সারানো হলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার বেহাল হয়ে পড়ত। অবশেষে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা রাস্তাটি স্থায়ীভাবে সংস্কার করতে উদ্যোগী হয়।
মন্দারমণির অংশে কাজ হলেও দাদনপাত্রবাড় থেকে উত্তরে শৌলা পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের এক কিলোমিটারের কাজ বহুদিন ধরে আটকে রয়েছে। ওই রাস্তার শৌলার দিক থেকে অরকবনিয়ার রামকৃষ্ণ মিশন পর্যন্ত ঝাঁ-চকচকে ডাবল লেনের রাস্তা তৈরি হয়েছে। মাঝখানে বসেছে ডিভাইডার। তারপর বাকি রাস্তার কাজ বেশ কয়েকমাস ধরে থমকে আছে। ফলে সংস্কারের অভাবে বাকি রাস্তার যেখানে সেখানে বড় বড় গর্ত হয়েছে। প্রচুর গাড়ি যাতায়াতের কারণে ধুলো উড়ছে। সরু রাস্তায় একসঙ্গে দু’টি গাড়ি চলাই মুশকিল। যদিও দীঘা থেকে তাজপুর পর্যন্ত ঝাঁ চকচকে রাস্তা আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছে।
ডিএসডিএ’র মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, ঠিকাদার সংস্থা কাজ অসমাপ্ত রেখেই পালিয়ে যায়। তারপর থেকে কাজ বন্ধ রয়েছে। ওই ঠিকাদার সংস্থাকে একবছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও কিছু সমস্যা রয়েছে। আমরা নতুন ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছি। আশা করছি, সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে কয়েকমাসের মধ্যে বাকি অংশের কাজ শুরু করা যাবে। মন্দারমণির অংশের রাস্তার কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ