নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: শান্তিপুর শহরের একাধিক এলাকার নিকাশি সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হল প্রশাসন। অম্রুত প্রকল্পের টাকায় শহরের নিকাশি ব্যবস্থার মানচিত্র বদলের কাজ করবে শান্তিপুর পুরসভা। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আগামী গ্রীষ্মের আগেই সেই কাজ শেষ করে নিকাশির খোলনলচে বদলে দিতে চাইছে তারা।
Advertisement
গঙ্গাসংলগ্ন জনপদ হলেও শান্তিপুর শহরে নিকাশি সমস্যা যথেষ্ট প্রকট। ফি বর্ষায় বহু এলাকায় জল জমায় দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা। কালবৈশাখীর প্রভাবে ভারী ও স্বাভাবিক বৃষ্টিতে শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ, একাধিক ওয়ার্ডের নিচু এলাকার জল একবার দাঁড়ালে নামতে চায় না। ফলে, সেই সমস্ত এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক আন্দোলন অনেকবার হয়েছে।
যেমন গত বর্ষায়, এলাকার জমা জলের প্রতিবাদে নৌকা চালিয়ে প্রতিবাদের মতো ঘটনাও ঘটেছে। এরপর অবশ্য বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে শান্তিপুর পুরসভা। অম্রুত-১ প্রকল্পে শহরের চারটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার জন্য নিকাশির অর্থ বরাদ্দ করা হয়। বলা ভালো, নিকাশি ব্যবস্থার খোল নলচে বদলে ফেলা হবে ওই সমস্ত এলাকায়।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৮ কোটি টাকা। এই টাকায় মূলত চারটি এলাকায় দীর্ঘ হাইড্রেন তৈরি হবে। যা সরাসরি ভাগীরথী অথবা শহরের বিভিন্ন খালে গিয়ে পড়বে। কোথায় কোথায় হচ্ছে এই হাইড্রেন তৈরির কাজ? পুরসভা জানিয়েছে, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামাপল্লি থেকে নবীনপল্লি খাল পর্যন্ত টানা প্রথম নিকাশি নালা তৈরি হচ্ছে। এই অঞ্চলের কয়েকশো মানুষ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। সেই সঙ্গে এলাকার জমা জলের সমস্যা মিটবে। একইভাবে শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘ এলাকাজুড়ে একটি ড্রেন খাল পর্যন্ত তৈরি করা হবে। তৃতীয় হাইড্রেন এবং আনুষঙ্গিক নিকাশি পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে বড়বাজারঘাট থেকে জগন্নাথঘাট হয়ে গঙ্গার ধারে শ্মশান পর্যন্ত। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে হাজার খানেক মানুষ এই নিকাশিনালা তৈরি হলে উপকৃত হবেন। চতুর্থ হাইড্রেনটি তৈরি করা হবে চুনুরিপাড়া থেকে কালীতলা পর্যন্ত।
বিষয়টি নিয়ে শান্তিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন, বেশকিছু দূরদর্শী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই উপযুক্ত পরিকাঠামোযুক্ত নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। অম্রুত প্রকল্পে আমরা সেই টাকা পেয়েছি। বেশ কিছু জায়গায় কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী গ্রীষ্মের আগেই সমস্ত কাজ শেষ হয়ে যাবে। নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে এলাকাগুলিতে আর জমা জলের সমস্যা থাকবে না। এছাড়াও আরও পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা প্রয়োজন। যা ধীরে ধীরে শান্তিপুর পুরসভা দায়িত্বের সঙ্গে করবে।
যেমন গত বর্ষায়, এলাকার জমা জলের প্রতিবাদে নৌকা চালিয়ে প্রতিবাদের মতো ঘটনাও ঘটেছে। এরপর অবশ্য বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে শান্তিপুর পুরসভা। অম্রুত-১ প্রকল্পে শহরের চারটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার জন্য নিকাশির অর্থ বরাদ্দ করা হয়। বলা ভালো, নিকাশি ব্যবস্থার খোল নলচে বদলে ফেলা হবে ওই সমস্ত এলাকায়।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৮ কোটি টাকা। এই টাকায় মূলত চারটি এলাকায় দীর্ঘ হাইড্রেন তৈরি হবে। যা সরাসরি ভাগীরথী অথবা শহরের বিভিন্ন খালে গিয়ে পড়বে। কোথায় কোথায় হচ্ছে এই হাইড্রেন তৈরির কাজ? পুরসভা জানিয়েছে, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামাপল্লি থেকে নবীনপল্লি খাল পর্যন্ত টানা প্রথম নিকাশি নালা তৈরি হচ্ছে। এই অঞ্চলের কয়েকশো মানুষ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। সেই সঙ্গে এলাকার জমা জলের সমস্যা মিটবে। একইভাবে শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘ এলাকাজুড়ে একটি ড্রেন খাল পর্যন্ত তৈরি করা হবে। তৃতীয় হাইড্রেন এবং আনুষঙ্গিক নিকাশি পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে বড়বাজারঘাট থেকে জগন্নাথঘাট হয়ে গঙ্গার ধারে শ্মশান পর্যন্ত। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে হাজার খানেক মানুষ এই নিকাশিনালা তৈরি হলে উপকৃত হবেন। চতুর্থ হাইড্রেনটি তৈরি করা হবে চুনুরিপাড়া থেকে কালীতলা পর্যন্ত।
বিষয়টি নিয়ে শান্তিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন, বেশকিছু দূরদর্শী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই উপযুক্ত পরিকাঠামোযুক্ত নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। অম্রুত প্রকল্পে আমরা সেই টাকা পেয়েছি। বেশ কিছু জায়গায় কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী গ্রীষ্মের আগেই সমস্ত কাজ শেষ হয়ে যাবে। নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে এলাকাগুলিতে আর জমা জলের সমস্যা থাকবে না। এছাড়াও আরও পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা প্রয়োজন। যা ধীরে ধীরে শান্তিপুর পুরসভা দায়িত্বের সঙ্গে করবে।



