নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: তমলুক শহরের নিমতলা থেকে হলদিয়া চৌরঙ্গী পর্যন্ত ৩৬ কিলোমিটার রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণ হবে। এজন্য খরচ হবে ৭৬ কোটি টাকা। এই মুহূর্তে তমলুক-হলদিয়া রাজ্য সড়ক সাত মিটার চওড়া। ওই রাস্তা মোট ১০ মিটার চওড়া হবে। ইতিমধ্যে এজেন্সিকে কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। সুতাহাটা এলাকায় কালভার্টের কাজ শুরুও হয়েছে। সম্প্রসারণের কাজের জন্য রাস্তার দু’দিকে পূর্ত দপ্তরের জায়গা দখল করে থাকা অনেক ঝুপড়ি, দোকানঘর সরাতে হবে। ইতিমধ্যে পূর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহ সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে নিজেরা জিনিসপত্র না সরালে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
Advertisement
তমলুক-হলদিয়া রাজ্য সড়কের উপর যানবাহনের চাপ আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। তাই জেলা সদর শহরের সঙ্গে শিল্প শহরের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সম্প্রসারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছিল। এখন ওই সড়ক সাত মিটার চওড়া। নন্দকুমার, মহিষাদল, সুতাহাটা সহ একাধিক জায়গায় রাস্তার ধারে বাজার বসে যাওয়ায় রাস্তা আরও সংকীর্ণ হয়েছে। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এই রাস্তা আরও চওড়া করার জন্য পূর্ত(হাইওয়ে) দপ্তরের তমলুক ডিভিশন অফিস সুপারিশ করেছিল। সেইমতো রাজ্য সরকার স্টেট ফিনান্স থেকে ৭৬ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। ওই কাজের টেন্ডার ডাকার পর ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু হয়েছে। একটি এজেন্সি গোটা কাজটাই করছে। সুতাহাটা এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে। এই রাস্তার মধ্যে বেশ কয়েক জায়গায় কালভার্ট রয়েছে। সেইসব জায়গায় নতুন কালভার্ট হবে। তাছাড়া সাত মিটারের জায়গায় রাস্তা ১০মিটার চওড়া হবে।
তমলুক থেকে হলদিয়া পর্যন্ত ৩৬ কিলোমিটার এই রাস্তায় দু’ধারে বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট, স্টল ও গুমটি রয়েছে। শনিবার থেকেই পূর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে টোটোয় মাইক বেঁধে এনিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ত দপ্তরের জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নন্দকুমারে রাস্তার দু’ধারে অসংখ্য স্টল গজিয়ে উঠেছে। এছাড়াও অনেকেই বালি, পাথর পূর্ত দপ্তরের জায়গার উপর ফেলে রেখেছেন। সেইসব নির্মাণ সামগ্রী সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই রাজ্য সড়কের ধারে চারচাকা গাড়ি রাখছেন। এইসব গাড়িও সরানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
তমলুক-হলদিয়া রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণ হলে দুই শহরের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা যাবে। বাজার এলাকায় যানজটের দুর্ভোগ থেকেও রেহাই মিলবে। জানা গিয়েছে, হলদিয়ায় মঞ্জুশ্রী মোড় থেকে ওই রাস্তা রেলগেটে ফোর লেন অবধি সম্প্রসারণ করা হবে। এজন্য মোট ৩৮.৫৮ কিলোমিটার রাস্তায় সম্প্রসারণের কাজ হবে।
পূর্ত(হাইওয়ে) তমলুক ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কার্তিকচন্দ্র দাস বলেন, এই মুহূর্তে তমলুক-হলদিয়া রাজ্য সড়ক সাত মিটার চওড়া আছে। এটা বেড়ে ১০মিটার হবে। ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার টার্গেট আছে। রাস্তার দু’দিকে পূর্ত দপ্তরের জায়গায় থাকা দোকানপাট, ঘর, স্টল সরানোর জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।
তমলুক থেকে হলদিয়া পর্যন্ত ৩৬ কিলোমিটার এই রাস্তায় দু’ধারে বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট, স্টল ও গুমটি রয়েছে। শনিবার থেকেই পূর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে টোটোয় মাইক বেঁধে এনিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ত দপ্তরের জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নন্দকুমারে রাস্তার দু’ধারে অসংখ্য স্টল গজিয়ে উঠেছে। এছাড়াও অনেকেই বালি, পাথর পূর্ত দপ্তরের জায়গার উপর ফেলে রেখেছেন। সেইসব নির্মাণ সামগ্রী সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই রাজ্য সড়কের ধারে চারচাকা গাড়ি রাখছেন। এইসব গাড়িও সরানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
তমলুক-হলদিয়া রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণ হলে দুই শহরের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা যাবে। বাজার এলাকায় যানজটের দুর্ভোগ থেকেও রেহাই মিলবে। জানা গিয়েছে, হলদিয়ায় মঞ্জুশ্রী মোড় থেকে ওই রাস্তা রেলগেটে ফোর লেন অবধি সম্প্রসারণ করা হবে। এজন্য মোট ৩৮.৫৮ কিলোমিটার রাস্তায় সম্প্রসারণের কাজ হবে।
পূর্ত(হাইওয়ে) তমলুক ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কার্তিকচন্দ্র দাস বলেন, এই মুহূর্তে তমলুক-হলদিয়া রাজ্য সড়ক সাত মিটার চওড়া আছে। এটা বেড়ে ১০মিটার হবে। ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার টার্গেট আছে। রাস্তার দু’দিকে পূর্ত দপ্তরের জায়গায় থাকা দোকানপাট, ঘর, স্টল সরানোর জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।



