শ্যামল সেন, হলদিয়া: বন্দর শহরে শিল্পের জন্য 1২০কোটি টাকা খরচে আধুনিক প্রযুক্তিতে রাস্তা তৈরি করছে হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(এইচডিএ)। পেভার ব্লক দিয়ে হলদিয়া শিল্পাঞ্চলজুড়ে তৈরি হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিং রোড। প্রতিটি শিল্প সংস্থার সঙ্গে ১১৬নম্বর হলদিয়া-কোলাঘাট জাতীয় সড়কে সহজে যাতায়াতের জন্য এই রিং রোড নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। প্রতিটি রাস্তাই ৬০টনের বেশি ভারী পণ্য বহনে সক্ষম। রাস্তাগুলি মজবুত করার পাশাপাশি চওড়া করে ডবল লেন করা হয়েছে। ফলে পণ্য চলাচলে গতি বেড়েছে। ট্রাফিকের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। পরিকাঠামো উন্নয়নে হলদিয়ায় বন্দরকেন্দ্রিক নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী হয়েছে একাধিক মাঝারি ও বড় শিল্প সংস্থা। হলদিয়া পেট্রকেমে ফেনল প্রকল্প তৈরি হচ্ছে। ৫হাজার কোটি টাকার ওই প্রকল্পই হলদিয়া সহ রাজ্যের শিল্প মানচিত্র বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে হলদিয়ায় নতুন করে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে আইওসির পেট্রকেম প্রকল্পও রয়েছে। প্রায় ৮০০ একর জমির ল্যান্ডব্যাঙ্ক নিয়ে অপেক্ষা করছে এইচডিএ। এজন্য তারা রাস্তাঘাটের উন্নয়নের সঙ্গে পরিকাঠামো গড়তে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে।
Advertisement
এইচডিএ জানিয়েছে, হলদিয়ায় ২০০কোটি টাকা বিনিয়োগে নতুন হোভারপোর্ট, চপার ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ট্রেনিং গ্রাউন্ড গড়ছে কোস্টগার্ড। এজন্য এইচডিএর কাছে ৩৮একর জমি চেয়েছে কোস্টগার্ড। উপকূলরক্ষা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কৌশলগত সুবিধার জন্য বালুঘাটাকে বেছে নিয়েছে কোস্টগার্ড। আরও একাধিক শিল্প সংস্থা জমি চেয়েছে এইচডিএকে। কোস্টগার্ড সহ ১৪টি শিল্প সংস্থাকে জমি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সংস্থাগুলি সম্মিলিতভাবে ৩৬৫৫কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৪একর জমি দেওয়া হচ্ছে আইওসি রিফাইনারিকে। আইওসি এবং পেট্রকেমের বিনিয়োগ ধরলে তা ১০ হাজার কোটিতে পৌঁছবে। পতঞ্জলি ফুড লিমিটেড(পূর্বতন রুচি) তাদের নতুন ভোজ্যতেল ইউনিট গড়ার জন্য নতুন করে ১৫একর জমি চেয়েছে। তারা ২৯৪ কোটি টাকা বিনিয়োগে নতুন প্ল্যান্ট গড়বে।
এজিস লজিস্টিকস নামে একটি সংস্থা এবার হলদিয়ায় পেট্ররসায়ন ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে নামছে। তারা ২৮০কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। এজন্য ১৬ একর জমি চেয়েছে। এছাড়া হলদিয়ায় মেডিক্যাল অক্সিজেন তৈরির জন্য প্ল্যান্ট গড়বে আইনক্স এয়ার। ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে তারা।
এইচডিএর চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় কর বলেন, শিল্প সংস্থাগুলি নতুন করে বিনিয়োগের জন্য জমি চেয়েছে। নতুন নতুন শিল্প আসছে। এজন্য গত দু’বছরে ২০কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক পেভার ব্লক দিয়ে প্রায় ১২-১৪ কিলোমিটার ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোড তৈরি হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে নজরদারির জন্য প্রায় ২কোটি টাকা খরচে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা এবং অটোমেটিক নম্বরপ্লেট রেকগনিশন প্রযুক্তি কাজে লাগানো হয়েছে। ওই প্রযুক্তিতে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের উপর নজর রাখা যায় যাতে কোনও দুষ্কর্ম না ঘটে। এজন্য শিল্প সংস্থাগুলি আর্থিক সহায়তা করেছে। হলদিয়ার পাঁচটি থানা এলাকায় ওই ক্যামেরার সাহায্যে পুলিস স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নজরদারি চালায়।
এইচডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিল্প সংস্থাগুলির জমির আবেদন রাজ্যের অনুমোদনের অপেক্ষায়। এইচডির চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার কোন্থাম সুধীর বলেন, শিল্প সংস্থাগুলির কাছে এখন বড় সুযোগ, এইচডিএ অফিসে বসেই জিআইএস পদ্ধতিতে সরাসরি চিহ্নিত জমির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নিতে পারবেন। এইচডিএ তার ল্যান্ডব্যাঙ্ককে জিআইএস পদ্ধতিতে সুসংহত করে ম্যাপিং করেছে। এইচডিএ চাইছে, হলদিয়ায় রপ্তানিভিত্তিক শ্রমনিবিড় শিল্পে বিনিয়োগ। এজন্য তারা সিলিকন চিপস বা সোলার প্যানেল তৈরি বা পেট্র রাসায়নিক অনুসারী শিল্পের বিকাশ চাইছে। এজন্য রাজ্যের নামী সরকারি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সঙ্গে যৌথ আলোচনা ও স্টার্ট আপ কোম্পানিতে জোর দিচ্ছে।
এজিস লজিস্টিকস নামে একটি সংস্থা এবার হলদিয়ায় পেট্ররসায়ন ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে নামছে। তারা ২৮০কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। এজন্য ১৬ একর জমি চেয়েছে। এছাড়া হলদিয়ায় মেডিক্যাল অক্সিজেন তৈরির জন্য প্ল্যান্ট গড়বে আইনক্স এয়ার। ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে তারা।
এইচডিএর চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় কর বলেন, শিল্প সংস্থাগুলি নতুন করে বিনিয়োগের জন্য জমি চেয়েছে। নতুন নতুন শিল্প আসছে। এজন্য গত দু’বছরে ২০কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক পেভার ব্লক দিয়ে প্রায় ১২-১৪ কিলোমিটার ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোড তৈরি হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে নজরদারির জন্য প্রায় ২কোটি টাকা খরচে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা এবং অটোমেটিক নম্বরপ্লেট রেকগনিশন প্রযুক্তি কাজে লাগানো হয়েছে। ওই প্রযুক্তিতে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের উপর নজর রাখা যায় যাতে কোনও দুষ্কর্ম না ঘটে। এজন্য শিল্প সংস্থাগুলি আর্থিক সহায়তা করেছে। হলদিয়ার পাঁচটি থানা এলাকায় ওই ক্যামেরার সাহায্যে পুলিস স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নজরদারি চালায়।
এইচডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিল্প সংস্থাগুলির জমির আবেদন রাজ্যের অনুমোদনের অপেক্ষায়। এইচডির চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার কোন্থাম সুধীর বলেন, শিল্প সংস্থাগুলির কাছে এখন বড় সুযোগ, এইচডিএ অফিসে বসেই জিআইএস পদ্ধতিতে সরাসরি চিহ্নিত জমির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নিতে পারবেন। এইচডিএ তার ল্যান্ডব্যাঙ্ককে জিআইএস পদ্ধতিতে সুসংহত করে ম্যাপিং করেছে। এইচডিএ চাইছে, হলদিয়ায় রপ্তানিভিত্তিক শ্রমনিবিড় শিল্পে বিনিয়োগ। এজন্য তারা সিলিকন চিপস বা সোলার প্যানেল তৈরি বা পেট্র রাসায়নিক অনুসারী শিল্পের বিকাশ চাইছে। এজন্য রাজ্যের নামী সরকারি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সঙ্গে যৌথ আলোচনা ও স্টার্ট আপ কোম্পানিতে জোর দিচ্ছে।



