Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাশের হারে তৃতীয় স্থানে কলকাতা

মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় নাম রয়েছে ৬৬ জনের। সেখানে কলকাতা জেলার স্কুলের মাত্র একজন ছাত্রীর স্থান হয়েছে। কিন্তু এই তথ্য দেখে আঁতকে ওঠার কিছু নেই।

পাশের হারে তৃতীয় স্থানে কলকাতা
  • ৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় নাম রয়েছে ৬৬ জনের। সেখানে কলকাতা জেলার স্কুলের মাত্র একজন ছাত্রীর স্থান হয়েছে। কিন্তু এই তথ্য দেখে আঁতকে ওঠার কিছু নেই। কারণ, সার্বিকভাবে কলকাতা জেলার মাধ্যমিকের ফল ভালো হয়েছে। পাশের হারের দিক থেকে রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। 

Advertisement

পর্ষদের পরিসংখ্যান বলছে, এই বছর কলকাতা জেলা থেকে মাধ্যমিকের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিল ১০,৬০৪ জন ছাত্র এবং ১১,৯৭১ জন ছাত্রী। পরীক্ষা দিয়েছিল ১০,৫০৮ জন ছাত্র এবং ১১,৮৮৬ জন ছাত্রী। পাশের হারের দিক থেকে এগিয়ে আছে ছাত্ররা। ৯৪.৪৫ শতাংশ ছাত্র এবং ৯৩.৬৯ শতাংশ ছাত্রী পরীক্ষায় সফল হয়েছে। কলকাতা থেকে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা গার্লস স্কুলের ছাত্রী অবন্তিকা রায় মেধা তালিকায় অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। লেকটাউনের বাসিন্দা এই পড়ুয়া পেয়েছে ৭০০-র মধ্যে ৬৮৮। 
কিন্তু কলকাতা জেলার নামী স্কুলগুলোর স্থান মেধা তালিকায় কম কেন? প্রশ্ন উঠছে পড়ুয়া এবং শিক্ষক মহলে। দক্ষিণ কলকাতার নামজাদা স্কুল যাদবপুর বিদ্যাপীঠ। এদিন মার্কশিট নিতে এসেই পড়ুয়াদের লাইন পড়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্য বলছিলেন, ‘সামগ্রিক ফল ভালো হচ্ছে। আমাদের স্কুল থেকে এবার ১৭৬ জনের মধ্যে ১২০ জন ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে। ৮০ শতাংশর বেশি পেয়েছে ৪৬ জন।’ তিনি আরও বলেন, ‘কলকাতার বেশিরভাগ অভিভাবকের মধ্যে সন্তানদের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করার প্রবণতা থাকে।’ হিন্দু স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভ্রজিত্ দত্ত বলেন, ‘মেধা তালিকায় নাম না থাকলেও সামগ্রিকভাবে ফল ভালো হয়েছে। শহরের নামী স্কুলগুলোর সবই ইংরেজি মাধ্যম। সেগুলোই প্রথম পছন্দ থাকে অভিভাবকদের। এছাড়া আমরা লটারির মাধ্যমে অ্যাডমিশন করাই। সেক্ষেত্রে সবরকমের পড়ুয়া আমাদের স্কুলে পড়ে।’
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘মেধা তালিকাই সাফল্যের শেষ কথা নয়। পরীক্ষায় ভালো ফল করাই ওদের লক্ষ্য ছিল। সার্বিক পাশের হারে তৃতীয় থাকা তারই ইঙ্গিত।’
 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ