সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: এ যেন ফিল্মি কায়দায় পুলিসি অ্যাকশন। ১০কিমি পথ। চোর ধারার ‘রেসে’ কখনও কন্টেনার আগে কখনও পুলিসের গাড়ি। শেষমেশ সফল পুলিসই। এতটা পথ পিছু নিয়ে মোষ বোঝাই কন্টেইনার আটক করল ময়নাগুড়ি থানার পুলিস। তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩০টি মোষ। সোমবার রাতে এমনই টানটান চিত্রনাট্য ঘটে গিয়েছে ময়নাগুড়ির হুসলুরডাঙায়। সেখানে টোলপ্লাজার সামনে কন্টেইনারকে আটক করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। অপরদিকে, একই রাতে উল্লাডাবরি এলাকা থেকে ৬টি গোরু বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান আটক করে পুলিস। তবে পুলিসকে দেখে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায় চালক।
Advertisement
সোমবার ময়নাগুড়ি থানায় খবর আসে, জলপাইগুড়ির দিক থেকে একটি একটি কন্টেইনার আসছে। তাতে মোষ রয়েছে। সেগুলিকে পাচার করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ইন্দিরা মোড় সংলগ্ন এলাকায় ওঁত পেতে বসে থাকে পুলিস। সূত্র মারফত সেই গাড়িটি পুলিস দেখতে পেয়ে ইন্দিরা মোড় সংলগ্ন এলাকায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করে। তবে তীব্র গতিতে কনটেইনারটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তৎক্ষণাৎ সেই গাড়ির পিছু নেয় গাড়ি। পুলিসের গাড়ি দেখে গতি বাড়িয়ে দেয় কন্টেইনার চালক। সমানভাবে পুলিসের গাড়িও চলতে থাকে। টোলপ্লাজার সামনে অবশেষে গাড়িটি আটকে পড়ে। গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মোষ পরিবহণের কাগজ সে দেখাতে পারেনি। সেই গাড়িতে আরও দুজন ছিল। মোট তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বাড়ি বিহারে। গাড়িটিও বিহারের। অভিযুক্তদের নাম হাবিবুল রহমান, রহমান আলম, মোহাম্মদ রফিক। প্রত্যেকের বাড়ি বিহারের কাটিহারে।
অপরদিকে, জলপাইগুড়ি দিক থেকে একটি পিকআপ ভ্যান গোরু নিয়ে আসছে সেই খবরও এসে পৌঁছায় থানায়। সেই খবর পেয়ে উল্লাডাবরি থেকে ছটি গোরু উদ্ধার হয়।
আইসি সুবল ঘোষ জানিয়েছেন, দুটি ক্ষেত্রেই মামলা রুজু করা হয়েছে। পিকআপ ভ্যান চালকের খোঁজ চলছে। তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রতিনিয়ত জাতীয় সড়ক ও সার্ক রোডে নজরদারি চলছে।
অপরদিকে, জলপাইগুড়ি দিক থেকে একটি পিকআপ ভ্যান গোরু নিয়ে আসছে সেই খবরও এসে পৌঁছায় থানায়। সেই খবর পেয়ে উল্লাডাবরি থেকে ছটি গোরু উদ্ধার হয়।
আইসি সুবল ঘোষ জানিয়েছেন, দুটি ক্ষেত্রেই মামলা রুজু করা হয়েছে। পিকআপ ভ্যান চালকের খোঁজ চলছে। তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রতিনিয়ত জাতীয় সড়ক ও সার্ক রোডে নজরদারি চলছে।



