Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোক উত্তরপ্রদেশের কিন্তুর গ্রামে

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় মৃত্যু হয়েছে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তার জেরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সুদূর উত্তরপ্রদেশের বরাবাঁকি জেলার কিন্তুর গ্রামে। স্থানীয়দের মতে, খামেনেইয়ের ‘গুরু’ ছিলেন আয়াতোল্লা রুহোল্লা মুসাভি খোমেইনি।

খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোক উত্তরপ্রদেশের কিন্তুর গ্রামে
  • ৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বরাবাঁকি (উত্তরপ্রদেশ): আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় মৃত্যু হয়েছে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তার জেরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সুদূর উত্তরপ্রদেশের বরাবাঁকি জেলার কিন্তুর গ্রামে। স্থানীয়দের মতে, খামেনেইয়ের ‘গুরু’ ছিলেন আয়াতোল্লা রুহোল্লা মুসাভি খোমেইনি। তাঁর পূর্বপুরুষরা ১৫০ বছর আগে এই গ্রাম থেকে ইরানে চলে গিয়েছিলেন। এখনও কিন্তুরে বসবাস করেন খোমেইনির উত্তরসূরিরা। তাঁদের মধ্যে একজন সৈয়দ নিহাল আহমেদ কাজমি। তিনি জানিয়েছেন, এই গ্রামেই জন্মেছিলেন খোমেইনির ঠাকুরদা। তাই দীর্ঘসময় কেটে গেলেও ইতিহাসের হাত ধরেই প্রাসঙ্গিক রয়ে গিয়েছে ওই যোগ। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, ১৯৭৯ সালে রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে ইরান। তাতে পতন হয় পহলভি রাজবংশের। খোমেইনির নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে ইসলামিক রিপাবলিকান সরকার। ১৯৮৯ সালে তাঁর মৃত্যুর পর ক্ষমতায় বসেন খোমেইনির ভাবশিষ্য খামেনেই। তারপরই নেতৃত্বে গুণে নিজেকে ধীরে ধীরে ধর্মীয় ক্ষমতায় ‘পাওয়ার হাউসে’ পরিণত করেন। দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দশকের পর দশক ধরে মসনদ ধরে রেখেছিলেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ক্ষমতার জোরে বন্ধ করেছেন। পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছিলেন আমেরিকা-ইজরায়েলের মতো দেশের সঙ্গে। সম্প্রতি দেশের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে স্বর ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছিল। অবশেষে পতন হল ৩৭ বছরের সাম্রাজ্যের।

সম্পর্কিত সংবাদ