নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যত কাণ্ড কসবাতে! পুলিশ লাইসেন্স ছাড়াই রমরমিয়ে চলছিল কসবার হোটেলটি! শনিবার কলকাতা পুলিশের মাসিক ক্রাইম কনফারেন্সে এমনই তথ্য উঠে এল। উল্লেখ্য, ২৫ নভেম্বর কসবায় অ্যাক্রোপলিস মল থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ওই হোটেলেই খুন হন পেশায় সিএ আদর্শ লোসালকা।
শনিবার দুপুরে আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে কলকাতা পুলিশের মাসিক ক্রাইম কনফারেন্সে সিপি মনোজ ভার্মার এক প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য তুলে ধরেন কসবা থানার ওসি বিশ্বজিৎ দেবনাথ। কলকাতা পুলিশের এক সূত্র জানাচ্ছে, মূলত বাণিজ্যিক ভবন না হওয়ায় পুলিশ লাইসেন্সের আবেদন মঞ্জুর না হয়ে পড়ে রয়েছে।
এই তথ্য সামনে আসার পর স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, কলকাতা পুলিশের লাইসেন্স ছাড়াই কসবার হোটেলটি তবে চলছিল কার মদতে এবং কীভাবে। দৃশ্যতই অপ্রস্তুত সিপি এরপর বৈঠকে উপস্থিত কলকাতার সব থানার ওসিদের নিজ নিজ এলাকার হোটেল বা গেস্ট হাউসের বৈধ সমস্ত লাইসেন্স আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি এই খুনের মামালায় তদন্ত শেষ করে ৬০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দিতেও বলেছেন।
এছাড়া সাইবার জালিয়াতিতে কলকাতা পুলিশের কয়েকটি ডিভিশনে খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারের হার এখনও তুলনামূলকভাবে যথেষ্ট কম। চলতি মাসের গোড়ায় লালবাজারে এনিয়ে সরব হয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল কমিশনার-২ প্রণব কুমার। এদিন ফের এনিয়ে উদ্যোগী হতে বলেছেন কলকাতার সিপি।
পাশাপাশি, এদিনের বৈঠকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে কলকাতা পুলিশের সমস্ত ইউনিটকে বাড়তি সতর্ক থাকতে বলেছেন সিপি। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে কলকাতার সব থানাতে চার-পাঁচ বছর ধরে পড়ে থাকা বকেয়া কেস-ডায়েরির অবিলম্বে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সিপি।