Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টালিগঞ্জে মেট্রোয় ঝাঁপ, পরিষেবা বন্ধ ৪০ মিনিট

রবিবাসরীয় বিকেলে ফের মেট্রো লাইনে ঝাঁপ! আর সেই কারণে প্রায় ৪০ মিনিট শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে ময়দান পর্যন্ত আপ-ডাউনে মেট্রোর যাত্রী পরিষেবা লাটে উঠল।

টালিগঞ্জে মেট্রোয় ঝাঁপ,  পরিষেবা বন্ধ ৪০ মিনিট
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রবিবাসরীয় বিকেলে ফের মেট্রো লাইনে ঝাঁপ! আর সেই কারণে প্রায় ৪০ মিনিট শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে ময়দান পর্যন্ত আপ-ডাউনে মেট্রোর যাত্রী পরিষেবা লাটে উঠল। ছুটির দিনে সপরিবারে বেরিয়ে চূড়ান্ত দুর্ভোগের শিকার হলেন হাজার হাজার মানুষ। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৪টে ২০ মিনিট নাগাদ মহানায়ক উত্তমকুমার (টালিগঞ্জ) মেট্রো স্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। যাত্রীরা মেট্রোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বরীন্দ্র সরোবর স্টেশন ছেড়ে যাত্রীবোঝাই একটি রেক তখন সবেমাত্র টালিগঞ্জে ঢুকছে। গন্তব্য শহিদ ক্ষুদিরাম। সেই রেকটি ডাউন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করার মুহূর্তে আচমকা একজন লাইনে ঝাঁপ দেন। ঘটনার অভিঘাতে স্টেশনে উপস্থিত সবার মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মেট্রোর চালক আপ্রাণ চেষ্টায় এমার্জেন্সি ব্রেক কষেন। কিন্তু ওই ব্যক্তিকে রেকের ধাক্কা এড়ানো যায়নি। স্বভাবতই মেট্রো চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য থমকে যায়। থার্ড লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ওই যাত্রীকে উদ্ধার করেন মেট্রোর কর্মীরা। তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মেট্রো সূত্রের দাবি, এদিন বিকেল ৫টা নাগাদ সম্পূর্ণ রুটে মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

যাত্রীদের অভিযোগ, আত্মহত্যা বা আত্মহত্যার চেষ্টার জন্য পরিষেবা বিঘ্নিত হলে তার ঘোষণা করতে অহেতুক দেরি করে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ফলে স্টেশনে স্টেশনে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়। তারপর শুরু হয় টোকেন ফেরত কিংবা স্মার্ট কার্ডের ‘রাইড’ ফেরানোর হুড়োহুড়ি। বিভিন্ন স্টেশনে প্রায় সবক’টি টিকিট কাউন্টারে ‘ক্লোজড’ লেখা বোর্ড ঝুলতে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। এই প্রক্রিয়া শেষ করতে দীর্ঘ সময় কেটে যায়। তারপর গন্তব্যে পৌঁছতে নতুন করে হয়রানির মুখে পড়তে হয় আম জনতাকে। মেট্রো বন্ধ থাকার সুযোগে ট্যাক্সি, অটো, অ্যাপ ক্যাব চড়া ভাড়া হাঁকে। দুর্ভোগ চলতেই থাকে। 
প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই অন্তত পাঁচটি এমন আত্মহত্যা বা আত্মহত্যার চেষ্টা হয়েছে নর্থ-সাউথ মেট্রো করিডরে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভুগতে হয়েছে যাত্রীদের। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? উত্তর নেই মেট্রোকর্তাদের কাছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ