নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: তথ্য সংগ্রহ ও তা নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোডের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে ইতিমধ্যেই। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে জেলার সমস্ত গ্রাম পঞ্চয়েতে অনলাইনে ট্যাক্স সংগ্রহের পথে হাঁটতে চলেছে জেলা প্রশাসন। তবে, জেলার প্রতি গ্রাম পঞ্চায়েতে নেই ট্যাক্স কালেক্টর। সেক্ষেত্রে ট্যাক্স সংগ্রহের ব্যাপারটা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
Advertisement
প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতকে তাদের এলাকার বাসিন্দাদের সম্পত্তি কর কত হতে পারে, সেই বিষয়ে কিছু তথ্য পোর্টালে আপলোড করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগেই। এর জন্য প্রত্যেকটি পরিবারকে একটি করে ফর্ম পূরণ করে পঞ্চায়েত অফিসে জমা দিতে বলা হয়। ওই বাসিন্দার কী ধরনের বাড়ি, কতগুলি ঘর, ওই সম্পত্তির বর্তমান বাজার দর কত হতে পারে ইত্যাদি পূরণ করতে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। যদিও পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রের খবর, অনেকেই সেই তথ্য জমা দেননি। তাতে অবশ্য কাজ থেমে থাকেনি পঞ্চায়েত দপ্তরের। যাঁরা সেই তথ্য জমা দেননি, তাঁদের সম্পত্তির কর কত হতে পারে তা বাজারদর অনুযায়ী হিসেব করে পোর্টালে আপলোড করেছেন পঞ্চায়েত কর্মীরাই। তাঁদের দাবি, এই নিয়ম পঞ্চায়েত আইনেই রয়েছে। এবার সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পরিবার-পিছু কর নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে পুরুলিয়া-২ ও পুঞ্চা ব্লকের অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে অনলাইনে ট্যাক্স সংগ্রহ শুরু করেছিল পঞ্চায়েত দপ্তর। এবারআগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তা জেলার সমস্ত পঞ্চায়েতেই চালু করতে চলেছে প্রশাসন। এজন্য একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। ট্যাক্স কালেক্টরদের ফোনে সেই অ্যাপ থাকছে। অ্যাপে বাসিন্দার তথ্য এন্ট্রি করলেই কত ট্যাক্স তা দেখিয়ে দেওয়া হবে। টাকা অনলাইনে কিংবা নগদেও দেওয়া যাবে। টাকা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মিলবে রসিদও।
জেলার মোট ১৭০টি পঞ্চায়েত রয়েছে। প্রতি পঞ্চায়েতে অন্তত একজন করে ট্যাক্স কালেক্টর থাকার কথা। তবে জেলায় বর্তমানে মাত্র ৬৯জন ট্যাক্স কালেক্টর রয়েছেন। সেক্ষেত্রে প্রতি পঞ্চায়েতে কীভাবে ট্যাক্স কালেকশন হবে, তা নিয়ে চিন্তাও থাকছে। যদিও পঞ্চায়েত দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, যে পঞ্চায়েতে ট্যাক্স কালেক্টর নেই, সেই এলাকার বাসিন্দারা পঞ্চায়েত অফিসে এসেও ট্যাক্স জমা দিতে পারবেন। তাছাড়া আমরা শিবির করেও ট্যাক্স নেওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা করছি।
প্রসঙ্গত, পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের থেকে নিয়ম করে সম্পত্তি কর আদায় হলেও পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের থেকে কর আদায়ের চল ছিল না বললেই চলে। তড়িঘড়ি সমস্যা কাটিয়ে কর আদায় সুনিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদেরও নির্দেশ দেয় রাজ্য।
জেলার মোট ১৭০টি পঞ্চায়েত রয়েছে। প্রতি পঞ্চায়েতে অন্তত একজন করে ট্যাক্স কালেক্টর থাকার কথা। তবে জেলায় বর্তমানে মাত্র ৬৯জন ট্যাক্স কালেক্টর রয়েছেন। সেক্ষেত্রে প্রতি পঞ্চায়েতে কীভাবে ট্যাক্স কালেকশন হবে, তা নিয়ে চিন্তাও থাকছে। যদিও পঞ্চায়েত দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, যে পঞ্চায়েতে ট্যাক্স কালেক্টর নেই, সেই এলাকার বাসিন্দারা পঞ্চায়েত অফিসে এসেও ট্যাক্স জমা দিতে পারবেন। তাছাড়া আমরা শিবির করেও ট্যাক্স নেওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা করছি।
প্রসঙ্গত, পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের থেকে নিয়ম করে সম্পত্তি কর আদায় হলেও পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের থেকে কর আদায়ের চল ছিল না বললেই চলে। তড়িঘড়ি সমস্যা কাটিয়ে কর আদায় সুনিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদেরও নির্দেশ দেয় রাজ্য।



