Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জে এন মুখার্জি রোড যেন মরণফাঁদ, সন্ধ্যা নামলেই ঘুটঘুটে অন্ধকারে ঘটছে দুর্ঘটনা

দীর্ঘদিন আগেই জলের পাইপ বসানোর জন্য খোঁড়া হয়েছিল রাস্তা। পাইপলাইন বসানো হয়ে গেলে বিছানো হয়েছিল ইটের খোয়া। কিন্তু ওই রাস্তায় আর পিচের প্রলেপ পড়েনি।

জে এন মুখার্জি রোড যেন মরণফাঁদ, সন্ধ্যা  নামলেই ঘুটঘুটে অন্ধকারে ঘটছে দুর্ঘটনা
  • ৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: দীর্ঘদিন আগেই জলের পাইপ বসানোর জন্য খোঁড়া হয়েছিল রাস্তা। পাইপলাইন বসানো হয়ে গেলে বিছানো হয়েছিল ইটের খোয়া। কিন্তু ওই রাস্তায় আর পিচের প্রলেপ পড়েনি। বর্ষায় নিকাশির জল উপচে গোটা রাস্তা জুড়ে তৈরি হয়েছে অজস্র খানাখন্দ। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে বিকল পথবাতি। উত্তর হাওড়ার দুই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জে এন মুখার্জি রোড ও নস্করপাড়া রোড পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। টোটো, বাইক, সাইকেল প্রায়দিনই উল্টে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। দ্রুত রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী।

Advertisement

বালি, বেলুড়, মালিপাঁচঘড়া থেকে হাওড়া কিংবা শিয়ালদহগামী প্রায় সব বাসই জি টি রোড, গিরিশ ঘোষ রোড, নস্করপাড়া রোড, ঘুসুড়ি কালীতলা মোড়, জে এন মুখার্জি রোড হয়ে সালকিয়ার দিকে আসে। মূলত ৫১, ৫৪ ও ৫৬ রুটের বাস, মালিপাঁচঘরা-শিয়ালদহ ও বেলুড়মঠ-ধর্মতলা রুটের প্রচুর মিনিবাস এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। পাশাপাশি রয়েছে অসংখ্য অটো, টোটো, বাইকের ভিড়। ফলে দিনভর জে এন মুখার্জি রোড ও নস্করপাড়া রোডে যানজট লেগেই থাকে। বর্ষা শুরু হওয়ার অনেকদিন আগেই জলের পাইপলাইন বসানোর জন্য এই দুই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করেছিল কেএমডিএ। পরবর্তীকালে পিচের আস্তরণ না দেওয়ায় খোয়া উঠে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দু’টি রাস্তার বেশিরভাগ অংশই কার্যত সুইমিং পুলে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, জে এন মুখার্জি রোডের বিস্তীর্ণ অংশ সন্ধ্যার পরেই অন্ধকারে ঢেকে যায়। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ওই অংশে পথবাতি জ্বলে না। ভূগর্ভে থাকা বিদ্যুতের তারে গোলযোগের কারণেই নাকি এই বিপত্তি। ফলে সন্ধ্যা নামলেই গাড়ির গতি মন্থর হয়ে যায়। তীব্র যানজটের পাশাপাশি ঘটে ছোটখাট দুর্ঘটনা। 
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পুরনো মায়া সিনেমা হলের সামনের অংশের। সেখানে রাস্তা এতটাই খারাপ যে, ঘুটঘুটে অন্ধকারে বাইক, সাইকেল নিয়ে প্রায়ই উল্টে পড়ছেন আরোহীরা। অটো যাত্রীদেরও রীতিমতো প্রাণ হাতে নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বাসিন্দাদের অনেকেই বলেন, ‘বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে বেহাল রাস্তার কারণে আশপাশের হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রশাসনের এদিকে দ্রুত নজর দেওয়া উচিত’।
জে এন মুখার্জি রোডকে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ। ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন, কেএমডিএ ও সিইএসসিকে নিয়ে বৈঠক করেছি। রাস্তা সংস্কারের পাশাপাশি আলোর ব্যবস্থাও দ্রুত করা হবে।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ