সংবাদদাতা, বালুরঘাট: স্বচ্ছতা ও সরকারি কাজে গতি আনতে এক ঝটকায় ৫৯ জন পঞ্চায়েত ও ব্লক আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক।
Advertisement
শুক্রবার নির্দেশিকা বের হতেই শোরগোল শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। তালিকায় রয়েছেন ব্লকের ডেপুটি সেক্রেটারি, ক্যাশিয়ার, পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক, এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট, সেক্রেটারি, সহায়ক। এদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁদের বদলি হওয়ার এক বছরও হয়নি। তিন বছরের আগেই তাঁদের বদলির খবরে শুরু হয়েছে গুঞ্জনও।
প্রশাসনের একটি মহলের দাবি, জেলা প্রশাসন বারবার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করতে ব্যর্থ হয়েছে একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত। ফলে তালিকায় একদম নীচের সারিতে রয়েছে এই জেলা। পাশাপাশি একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় এই ‘গণ’ রদবদলের সিদ্ধান্ত। একই পঞ্চায়েতে বছরের পর বছর বহাল থাকার ফলে উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কর্মীদের মধ্যে অনীহার অভিযোগও রয়েছে। তালিকায় ব্লকের পাঁচ ডেপুটি সেক্রেটারি, দু’জন ক্যাশিয়ার, পঞ্চায়েতের ১৫ নির্মাণ সহায়ক, ১৩ জন এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট, ১০জন সেক্রেটারি ও ১৪ জন সহায়ক রয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, রুটিন বদলি করা হয়েছে। অনেকের তিন বছরের বেশি আগে পোস্টিং হয়েছিল। তবে সরকারি কাজে গতি বাড়ানোর জন্যই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে মনে করছি।
বদলি প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়ালের মন্তব্য, সরকার প্রশাসনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য সবসময় চেষ্টা করে। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণে যাতে কেউ যুক্ত না হয় প্রশাসন নজর রাখছে। জনকল্যাণের জন্য সবরকম সিদ্ধান্তকে স্বাগত।
দীর্ঘদিন একই পঞ্চায়েতে থাকার কারণে কর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। এতে অনেকেই কাজে ফাঁকি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতি ও স্বজনপোষণে যুক্ত হয়ে পড়েন বলে মাঝেমধ্যে অভিযোগ ওঠে। এবার সেদিকে নজর দিয়েই কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
তবে, সময়ে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ খরচ না করতে পারার জন্য এই বদলিকে ‘শাস্তি’ হিসেবে দেখছেন অনেকে। জেলাশাসক একাধিকবার বৈঠক করেও নির্দেশ দিলেও অর্থ কমিশনের খরচ বাড়াতে পারেনি বিভিন্ন পঞ্চায়েত। সময় বেঁধে দিয়েও জনগণের উন্নয়নে কাজ করার বিষয়ে বেশকিছু পঞ্চায়েতের গাফিলতি নজরে পড়েছিল জেলা প্রশাসনের। সেই গড়িমসিতে এবার ইতি পড়ে কি না, তাকিয়ে জেলাবাসী।
প্রশাসনের একটি মহলের দাবি, জেলা প্রশাসন বারবার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করতে ব্যর্থ হয়েছে একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত। ফলে তালিকায় একদম নীচের সারিতে রয়েছে এই জেলা। পাশাপাশি একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় এই ‘গণ’ রদবদলের সিদ্ধান্ত। একই পঞ্চায়েতে বছরের পর বছর বহাল থাকার ফলে উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কর্মীদের মধ্যে অনীহার অভিযোগও রয়েছে। তালিকায় ব্লকের পাঁচ ডেপুটি সেক্রেটারি, দু’জন ক্যাশিয়ার, পঞ্চায়েতের ১৫ নির্মাণ সহায়ক, ১৩ জন এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট, ১০জন সেক্রেটারি ও ১৪ জন সহায়ক রয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, রুটিন বদলি করা হয়েছে। অনেকের তিন বছরের বেশি আগে পোস্টিং হয়েছিল। তবে সরকারি কাজে গতি বাড়ানোর জন্যই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে মনে করছি।
বদলি প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়ালের মন্তব্য, সরকার প্রশাসনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য সবসময় চেষ্টা করে। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণে যাতে কেউ যুক্ত না হয় প্রশাসন নজর রাখছে। জনকল্যাণের জন্য সবরকম সিদ্ধান্তকে স্বাগত।
দীর্ঘদিন একই পঞ্চায়েতে থাকার কারণে কর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। এতে অনেকেই কাজে ফাঁকি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্নীতি ও স্বজনপোষণে যুক্ত হয়ে পড়েন বলে মাঝেমধ্যে অভিযোগ ওঠে। এবার সেদিকে নজর দিয়েই কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
তবে, সময়ে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ খরচ না করতে পারার জন্য এই বদলিকে ‘শাস্তি’ হিসেবে দেখছেন অনেকে। জেলাশাসক একাধিকবার বৈঠক করেও নির্দেশ দিলেও অর্থ কমিশনের খরচ বাড়াতে পারেনি বিভিন্ন পঞ্চায়েত। সময় বেঁধে দিয়েও জনগণের উন্নয়নে কাজ করার বিষয়ে বেশকিছু পঞ্চায়েতের গাফিলতি নজরে পড়েছিল জেলা প্রশাসনের। সেই গড়িমসিতে এবার ইতি পড়ে কি না, তাকিয়ে জেলাবাসী।



