সংবাদদাতা, করিমপুর: ২০২২ সালে মুর্শিদাবাদ, নদীয়া ও উত্তর ২৪পরগণাকে জুড়ে নতুন ৩১২ নম্বর জাতীয় সড়ক তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্র। উন্নত যোগাযোগের আশায় বুক বেঁধেছিলেন সীমান্ত এলাকার মানুষ। বৃহস্পতিবার সংসদে সেই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বা অগ্রগতি কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়কড়ির কাছে লিখিতভাবে জানতে চাইলেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান।
Advertisement
লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় সড়কের উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। কেন্দ্র বিভিন্ন রাজ্য সরকারের থেকে প্রস্তাব পেয়ে থাকে। মানদণ্ড, সংযোগের প্রয়োজনীয়তা সহ বেশ কিছু বিষয় দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে জাতীয় সড়ক হিসেবে ঘোষণার পর প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিআর প্রস্তুত করা হচ্ছে।
সাংসদ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২২ সালে জাতীয় সড়ক তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল অথচ এতদিন পরও সেই প্রকল্পের কোনও কাজ হয়নি। এতে আমরা হতাশ। তাই সংসদে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর থেকে জানতে চেয়েছি, ওই সড়ক আদৌ হবে কিনা।
করিমপুরের বাসিন্দারা জানান, ২০১৭ সালে জঙ্গিপুর থেকে ভারতমালা প্রকল্পে চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। জমি অধিগ্রহণে সমস্যার জেরে সেই প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে নতুন জাতীয় সড়ক তৈরির প্রস্তাব দেয় কেন্দ্র। বলা হয়েছিল, জঙ্গিপুর থেকে বসিরহাট অবধি ৩১৮কিমি লম্বা চার লেনের এই সড়ক ২০২৪ সালের মধ্যে নির্মাণ শেষ হয়ে যাবে। প্রাথমিকভাবে একাজের জন্য ৪৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। খোদ নীতিন গড়কড়ি এখবর জানিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাও এই নয়া প্রকল্পে সিলমোহর দিয়েছিল। তৈরি করা হয়েছিল ডিপিআরও। তারপর অনেকদিন পেরিয়ে যাওয়ায় ফের সংশোধিত ডিপিআর তৈরি হচ্ছে।
ঠিক হয়েছিল, জঙ্গিপুর থেকে লালগোলা, ভগবানগোলা হয়ে যে ১১ নম্বর রাজ্য সড়ক বহরমপুরের দিকে গিয়েছে, সেটিকেই দু’দিকে ৪৫ ফুট করে বাড়িয়ে ৯০ ফুটের জাতীয় সড়ক তৈরি হবে। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বিকল্প পথ হিসেবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর এটি তৈরি হবে। যাতে জরুরি পরিস্থিতিতেও এই সড়ক ব্যবহার করা যায়। পরিকল্পনা ছিল, জঙ্গিপুরের উমরপুর থেকে শুরু করে লালগোলা, ভগবানগোলা, লালবাগ, ডোমকল, জলঙ্গি, করিমপুর, তেহট্ট, কৃষ্ণনগর, হাঁসখালি, বগুলা, বনগাঁ, স্বরূপনগর, তেঁতুলিয়া হয়ে বসিরহাট পর্যন্ত জাতীয় সড়ক হবে। ফলে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর চাপ অনেকটা কমবে। এই ফোর লেন রাস্তা হলে নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগণার মানুষ উপকৃত হতেন। বিশেষত ব্যস্ত করিমপুর-কৃষ্ণনগর রুটে সড়কপথে যাতায়াতে সুবিধা হতো। সীমান্ত সুরক্ষাতেও এই সড়ক যথেষ্ট উপকারে আসত।
সাংসদ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২২ সালে জাতীয় সড়ক তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল অথচ এতদিন পরও সেই প্রকল্পের কোনও কাজ হয়নি। এতে আমরা হতাশ। তাই সংসদে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর থেকে জানতে চেয়েছি, ওই সড়ক আদৌ হবে কিনা।
করিমপুরের বাসিন্দারা জানান, ২০১৭ সালে জঙ্গিপুর থেকে ভারতমালা প্রকল্পে চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। জমি অধিগ্রহণে সমস্যার জেরে সেই প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে নতুন জাতীয় সড়ক তৈরির প্রস্তাব দেয় কেন্দ্র। বলা হয়েছিল, জঙ্গিপুর থেকে বসিরহাট অবধি ৩১৮কিমি লম্বা চার লেনের এই সড়ক ২০২৪ সালের মধ্যে নির্মাণ শেষ হয়ে যাবে। প্রাথমিকভাবে একাজের জন্য ৪৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। খোদ নীতিন গড়কড়ি এখবর জানিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাও এই নয়া প্রকল্পে সিলমোহর দিয়েছিল। তৈরি করা হয়েছিল ডিপিআরও। তারপর অনেকদিন পেরিয়ে যাওয়ায় ফের সংশোধিত ডিপিআর তৈরি হচ্ছে।
ঠিক হয়েছিল, জঙ্গিপুর থেকে লালগোলা, ভগবানগোলা হয়ে যে ১১ নম্বর রাজ্য সড়ক বহরমপুরের দিকে গিয়েছে, সেটিকেই দু’দিকে ৪৫ ফুট করে বাড়িয়ে ৯০ ফুটের জাতীয় সড়ক তৈরি হবে। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বিকল্প পথ হিসেবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর এটি তৈরি হবে। যাতে জরুরি পরিস্থিতিতেও এই সড়ক ব্যবহার করা যায়। পরিকল্পনা ছিল, জঙ্গিপুরের উমরপুর থেকে শুরু করে লালগোলা, ভগবানগোলা, লালবাগ, ডোমকল, জলঙ্গি, করিমপুর, তেহট্ট, কৃষ্ণনগর, হাঁসখালি, বগুলা, বনগাঁ, স্বরূপনগর, তেঁতুলিয়া হয়ে বসিরহাট পর্যন্ত জাতীয় সড়ক হবে। ফলে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর চাপ অনেকটা কমবে। এই ফোর লেন রাস্তা হলে নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগণার মানুষ উপকৃত হতেন। বিশেষত ব্যস্ত করিমপুর-কৃষ্ণনগর রুটে সড়কপথে যাতায়াতে সুবিধা হতো। সীমান্ত সুরক্ষাতেও এই সড়ক যথেষ্ট উপকারে আসত।



