সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ৫২ জোড়া দেবদেবীর প্রদর্শনীর মাধ্যমে শুক্রবার বিষ্ণুপুরে ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবের সূচনা হয়। মল্লরাজ বীরহাম্বিরের দেখানো পথে ঐতিহাসিক রাসমঞ্চের অনুকরণে শহরের মাধবগঞ্জ ও কৃষ্ণগঞ্জে রাসলীলার আয়োজন করা হয়। যাকে কেন্দ্র করে এলাকার বাসিন্দারা উৎসবে মেতে ওঠেন। পুজো উদ্যোক্তারা নিজ দেবদেবীর আরাধনার পাশাপাশি অতিথি দেবদেবীদের খাতির যত্নের কোনও ত্রুটি রাখেন না।
Advertisement
মাধবগঞ্জ মদনগোপালজিউ রাস উৎসব কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা তথা বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, আমাদের মন্দিরের মদনগোপালজিউ ছাড়াও মদনগোপাল, মদনমনোহর, মুরলীমোহন, রাধাজীবন, নাড়ুগোপাল, গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু, রাধাবিনোদ, জগন্নাথ, কালাচাঁদ, রসিকনগর, বেণীমাধব, যুগলকিশোর, মহাপ্রভু প্রভৃতি দেবদেবীকে আনা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধারতি ছাড়াও লোকসঙ্গীত, বাউল অনুষ্ঠান হবে।
কৃষ্ণগঞ্জ রাধালালজিউ মন্দির কমিটির কর্মকর্তা রবিলোচন দে বলেন, আমাদের মন্দিরের দেবতা রাধালালজিউ, কৃষ্ণলালজিউ ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন মন্দির থেকে গোবিন্দজিউ, গৌর-নিতাই, দামোদরজিউ, রাধারমনজিউ প্রভৃতি দেবদেবীকে আনা হয়েছে। পাঁচদিন ধরে মন্দির প্রাঙ্গণে তাঁরা থাকবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভক্তদের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর আগে মল্লরাজ বীরহাম্বির বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করার পর তাঁর অনুপ্রেরণায় বিষ্ণুপুরের বিভিন্ন এলাকায় বহু মন্দির স্থাপন করা হয়। পরবর্তীকালে রাজদরবার ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন মন্দিরে অধিষ্ঠাত্রী দেবদেবীকে এক জায়গায় এনে ভক্তদের কাছে প্রদর্শন করার জন্য ঐতিহাসিক রাসমঞ্চ স্থাপন করেছিলেন। সেই বিষ্ময় কীর্তি আজ হেরিটেজের মর্যাদায় অর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ। কালের নিয়মে সেই রাজআমল ঘুচলেও মল্লরাজাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সচেষ্ট হয়েছেন শহরের কৃষ্ণগঞ্জ ও মাধবগঞ্জ ষোলোআনা কমিটি। প্রতিবছর দুই মন্দিরের দাওয়ায় ৫২জোড়া দেবদেবীকে সাজিয়ে প্রদর্শন করা হয়। একজায়গায় এত সংখ্যক দেবদেবীর দর্শন পেতে প্রতিবছর ভক্ত ও সাধারণ দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। উৎসব উপলক্ষ্যে মাধবগঞ্জে মেলা বসে। এছাড়াও দুই মন্দির প্রাঙ্গণে পাঁচদিন ধরে সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য অনুষ্ঠান হয়।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণগঞ্জে রাধালালজিউ মন্দিরে ১৬ জোড়া এবং মাধবগঞ্জ মদনগোপাল জিউ মন্দিরে ৩৬ জোড়া দেবদেবী আসেন। রাজদরবার ছাড়াও বিষ্ণুপুরের ওয়ার্ডে অবস্থিত মন্দির ছাড়াও দূর-দূরান্তের মন্দির থেকেও দেবদেবী রাসলীলায় অংশ নেন। ১৭ কিলোমিটার দূরে সাবড়াকোণ মন্দির থেকেও প্রতিবছর রামকৃষ্ণের বিগ্রহ মাধবগঞ্জে আনা হয়। আগত প্রত্যেক দেবদেবীকে আপ্যায়ণ করে আনা হয়। মন্দির প্রাঙ্গণে সাজিয়ে প্রদর্শনী ছাড়াও প্রতিদিন সন্ধ্যারতি ও বিশেষ পুজো করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শহরের আনাচেকানাচে বহু মন্দির রয়েছে। সব মন্দিরে যাওয়া সম্ভব হয় না। রাসের সময় দুই মন্দিরে এলেই ৫২ জোড়া দেবদেবীর দর্শন হয়ে যায়। তাই প্রতিবছর যত কাজই থাকুক না কেন শহরের বহু মানুষ একদিন হলেও রাস দেখতে আসেন।
কৃষ্ণগঞ্জ রাধালালজিউ মন্দির কমিটির কর্মকর্তা রবিলোচন দে বলেন, আমাদের মন্দিরের দেবতা রাধালালজিউ, কৃষ্ণলালজিউ ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন মন্দির থেকে গোবিন্দজিউ, গৌর-নিতাই, দামোদরজিউ, রাধারমনজিউ প্রভৃতি দেবদেবীকে আনা হয়েছে। পাঁচদিন ধরে মন্দির প্রাঙ্গণে তাঁরা থাকবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভক্তদের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর আগে মল্লরাজ বীরহাম্বির বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করার পর তাঁর অনুপ্রেরণায় বিষ্ণুপুরের বিভিন্ন এলাকায় বহু মন্দির স্থাপন করা হয়। পরবর্তীকালে রাজদরবার ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন মন্দিরে অধিষ্ঠাত্রী দেবদেবীকে এক জায়গায় এনে ভক্তদের কাছে প্রদর্শন করার জন্য ঐতিহাসিক রাসমঞ্চ স্থাপন করেছিলেন। সেই বিষ্ময় কীর্তি আজ হেরিটেজের মর্যাদায় অর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ। কালের নিয়মে সেই রাজআমল ঘুচলেও মল্লরাজাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সচেষ্ট হয়েছেন শহরের কৃষ্ণগঞ্জ ও মাধবগঞ্জ ষোলোআনা কমিটি। প্রতিবছর দুই মন্দিরের দাওয়ায় ৫২জোড়া দেবদেবীকে সাজিয়ে প্রদর্শন করা হয়। একজায়গায় এত সংখ্যক দেবদেবীর দর্শন পেতে প্রতিবছর ভক্ত ও সাধারণ দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। উৎসব উপলক্ষ্যে মাধবগঞ্জে মেলা বসে। এছাড়াও দুই মন্দির প্রাঙ্গণে পাঁচদিন ধরে সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য অনুষ্ঠান হয়।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণগঞ্জে রাধালালজিউ মন্দিরে ১৬ জোড়া এবং মাধবগঞ্জ মদনগোপাল জিউ মন্দিরে ৩৬ জোড়া দেবদেবী আসেন। রাজদরবার ছাড়াও বিষ্ণুপুরের ওয়ার্ডে অবস্থিত মন্দির ছাড়াও দূর-দূরান্তের মন্দির থেকেও দেবদেবী রাসলীলায় অংশ নেন। ১৭ কিলোমিটার দূরে সাবড়াকোণ মন্দির থেকেও প্রতিবছর রামকৃষ্ণের বিগ্রহ মাধবগঞ্জে আনা হয়। আগত প্রত্যেক দেবদেবীকে আপ্যায়ণ করে আনা হয়। মন্দির প্রাঙ্গণে সাজিয়ে প্রদর্শনী ছাড়াও প্রতিদিন সন্ধ্যারতি ও বিশেষ পুজো করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শহরের আনাচেকানাচে বহু মন্দির রয়েছে। সব মন্দিরে যাওয়া সম্ভব হয় না। রাসের সময় দুই মন্দিরে এলেই ৫২ জোড়া দেবদেবীর দর্শন হয়ে যায়। তাই প্রতিবছর যত কাজই থাকুক না কেন শহরের বহু মানুষ একদিন হলেও রাস দেখতে আসেন।



