Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬

জগন্নাথদেবের ‘ওষুধ’ চুরি! সেবায়েতের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য পুরীতে

খাস মন্দির থেকেই জগন্নাথদেবের ‘ওষুধ’ চুরি! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পুরীতে। সোমবার হলধর দশমহাপাত্র জগন্নাথ নামে মন্দিরের এক সেবায়েত ওষুধ চুরির অভিযোগ করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে।

জগন্নাথদেবের ‘ওষুধ’ চুরি! সেবায়েতের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য পুরীতে
  • ২৫ জুন, ২০২৫ ০৪:০০

পুরী: খাস মন্দির থেকেই জগন্নাথদেবের ‘ওষুধ’ চুরি! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পুরীতে। সোমবার হলধর দশমহাপাত্র জগন্নাথ নামে মন্দিরের এক সেবায়েত ওষুধ চুরির অভিযোগ করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে। ওই সেবায়েতের দাবি, জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার জন্য তৈরি দশমূল মোদক চুরি হয়েছে। বিশেষ আয়ুর্বেদিক ওষুধ দিয়ে তৈরি ৩১৩টি মোদক রাখা ছিল মন্দিরের গরদ ঘরে (ওষুধ রাখার জায়গা)। সেখান থেকেই ৭০টি চুরি হয়েছে বলে তাঁর দাবি। যদিও চুরির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ওড়িশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বিরাজ হরিচন্দন। তাঁর দাবি, বিগ্রহের জন্য কতগুলি মোদক তৈরি হয় কোনও হিসেব রাখা হয় না। এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন।  

Advertisement

কথিত আছে, প্রতিবছরই স্নানযাত্রার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন জগন্নাথ। তখন বিগ্রহগুলিকে লোকচক্ষুর আড়ালে ‘অনসর’ নামের একটি বিশেষ ঘরে রাখা হয়। সেসময় তাঁদের জন্য তৈরি হয় বিশেষ পথ্য ‘দশমূল’ মোদক। ১৪ দিন পর রথযাত্রার আগের দিন সেই ঘর থেকে বের করা হয় বিগ্রহগুলিকে। অভিযোগ, ৩১৩টি দশমূল মোদক তৈরি করেছিলেন পুরী মন্দিরের রাজবৈদ্য। ২১ জুন অনবসর একাদশীর রাতে বিষয়টি প্রথম নজরে আসে। হলধর দেখেন, ৭০টি দশমূল মোদকের খোঁজ মিলছে না। অভিযোগকারী সেবায়েত বলেছেন, ‘ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এই ধরনের ঘটনা এর আগে হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষের উচিত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। মন্দিরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা উচিত।’ শ্রীজগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ