নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দ্রুত ছাত্রভর্তির প্রয়োজনীয়তার কারণ দেখিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাউন্সেলিং নিজেদের হাতে নিতে চাইল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন সরোজ মণ্ডলের তরফে সেই চিঠি গিয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তরে। ডিরেক্টর অব টেকনিক্যাল এডুকেশনকে (ডিটিই) লেখা চিঠিতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, আগে যখন যাদবপুর নিজেরা কাউন্সেলিং করত, তখন অনেক দ্রুত আসন পূরণ হয়ে যেত।
এখন জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজাম বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলিং করিয়ে থাকে। তবে, এবছর ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে আইনি জটিলতায় এখনও জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফল প্রকাশ করা যায়নি। ইতিমধ্যেই একমাস বাড়তি সময় চলে গিয়েছে। তাই যাদবপুর চাইছে, ফল প্রকাশিত হলে বিকেন্দ্রীভূতভাবে একদফা কাউন্সেলিংয়েই তারা পড়ুয়া ভর্তি করে নেবে। তাদের যুক্তি, কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিং, স্পট কাউন্সেলিং ও ভর্তি মিলিয়ে প্রায় আড়াই মাস ব্যয় হয়। ভর্তির পরে কেন্দ্রীয় প্রযুক্তি শিক্ষা নিয়ামক সংস্থা এআইসিটিই-এর গাইডলাইন মেনে তিনসপ্তাহের ইন্ডাকশন পিরিয়ড থাকে। তারপরে ক্লাস শুরু করা যায়। তাই এবছর ক্লাস শুরু করতে অনেকটাই দেরি হয়ে যাবে। যদিও, বিকাশ ভবনের এক কর্তা বলেন, ‘এই দাবি মেনে নেওয়া কার্যত অসম্ভব। তাহলে বাকিরাও এই দাবি করবে। যে স্বচ্ছভাবে কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিং হয়, তা বিচ্ছিন্নভাবে সম্ভব নয়। তাছাড়া, যাদবপুরে সাম্প্রতিক অতীতে ভর্তি সংক্রান্ত নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেটাও মাথায় রাখতে হবে।’



