নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন দুই ছাত্রীর হিজাব সরিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন ইংরেজি বিভাগের প্রধান শাশ্বতী হালদার। সোমবার, তদন্ত চলাকালীন তাঁকে সাসপেনশনে রাখার সুপারিশ করল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এদিন তাঁর সঙ্গে কথা বলেন কমিটির সদস্যরা। একই সুপারিশ করেছিল রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশন। যদিও এ বিষয়ে প্রবল আপত্তি রয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্য তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলে রাজ্যপালের মনোনীত সদস্য কাজি মাসুম আখতারের। তিনি বলেন, গণ টোকাটুকির ধারা রুখতে পাঁচজন পড়ুয়াকে আরএ করা হয়েছে। তাঁরা কেউই সংখ্যালঘু নন। ওই দু’জন ছাত্রীকে চেক করা নিয়ে রাজনীতিকরণ হচ্ছে বলেই তাঁর দাবি। এমনকি তিনি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এবং সংখ্যালঘু কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও ছাত্রছাত্রীদের বড়ো অংশই শাশ্বতী হালদারের বিপক্ষে। এই ঘটনার পিছনে ইসলাম ও ফোবিয়া কাজ করেছে বলে তাঁদের মত। সেই চাপেই কমিটি তদন্ত চলাকালীন অধ্যাপিকাকে সাস্পেনশনে রাখা সুপারিশ করেছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের মতো।



