


নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী মোদি ইজরায়েল সফর সেরে ফিরলেন। তারপরই শুরু হল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। বিষয়টাকে স্বাভাবিক বলে মানতে চায়নি কংগ্রেস। হাত শিবিরের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং ইরানে হামলার মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তবে এই অভিযোগ যে ভিত্তিহীন তা নিয়ে ফের ব্যাখ্যা দিলেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজার। জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের অনুমোদন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় নয়, বরং তিনি ইজরায়েল ছেড়ে যাওয়ার দু’দিন পরে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূতের কথায়, সেই সময় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ইজরায়েল বুঝতে পারে যে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এরপরই ইজরায়েলের মন্ত্রিসভা ইরান-সংক্রান্ত সামরিক অভিযানে অনুমোদন দেয়। ফলে প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের সঙ্গে এই সামরিক সিদ্ধান্তের সরাসরি যোগ নেই। পাশাপাশি ইজরায়েলের হামলায় ইরানের ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান কিছুটা তুলে ধরেন রেউভেন। বলেন, আমরা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পেরেছি যে ইরান চাইলেই আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তেহরানের একাধিক বড় কারখানা ধ্বংস হয়েছে। তাতে উৎপাদন ক্ষমতা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে দাবি আজারের।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন-ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ ক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন ঘটানো ইজরায়েলের লক্ষ্য নয়। বরং ইজরায়েল চায় ইরানের মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়।